নজরবন্দি ব্যুরো : আটটি ধাপে সম্পন্ন হচ্ছে টিকাকরণের গোটা প্রক্রিয়া। ইতিমধ্যেই রাজ্যজুড়ে শুরু করোনা ভ্যাকসিনের ড্রাই রান। কলকাতার, এসএসকেএম হাসপাতালেই সদস্য রয়েছেন মোট ৯ হাজার। সকাল ৯টা থেকেই শুরু হয়েছে এই টিকাকরণ প্রক্রিয়া। এসএসকেএম কর্তৃপক্ষ স্থির করেছেন, প্রত্যেক দিন মোট ৫০০ জন সদস্যকে টিকা দেওয়া হবে।
আরও পড়ুনঃ দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, সাসপেন্ড বিশ্বভারতীর অর্থনীতির অধ্যাপক


আটটি ধাপে সম্পন্ন হচ্ছে টিকাকরণ গোটা প্রক্রিয়া। মতবে স্বাস্থ্য কর্তাদের মত, প্রতিদিন ৪০০ সদস্যের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এগিয়ে চলা ভালো। আর সেটি নিয়েই ভেবে দেখা হচ্ছে। আজ থেকেই গোটা রাজ্যে চলছে টিকাকরণের ড্রাই রান। হুগলির ,পোলবা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র, ইমামবাড়া জেলা হাসপাতাল ও বাঁশবেড়িয়া পুরসভার স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হয়েছে ড্রাই’রান। উত্তর ২৪ পরগনার তিনটি কেন্দ্রে, হালিশহর, বারাকপুর সদর বাজার, বারাসতে ড্রাই রান হয়। মুর্শিদাবাদের তিনটি কেন্দ্রে ড্রাই রান হয়। মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, হরিপাড়া চোয়া প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র, বহরমপুর পৌরসভার রবীন্দ্রনাথ টেগোর প্রাইমারি স্কুলে ড্রাই রান হয়।
এছাড়াও জলপাইগুড়ির ধূপগুড়ি ব্লক হাসপাতাল , সদর হাসপাতাল, সুলকাপাড়া গ্ৰামীণ হাসপাতাল ও ধূপগুড়ি হাসপাতাল সহ শিলিগুড়ি হাসপাতাল, নকশালবাড়ি হাসপাতাল এবং দার্জিলিং সদর হাসপাতালে করোনা ভ্যাকসিনের ড্রাই রান হবে বলে জানা যায়। আপাতত আটটি ধাপে শেষ হচ্ছে গোটা প্রক্রিয়া। দেখে নিন এক নজরে, ১) নাম নথিভুক্তের পর প্রত্যেক স্বেচ্ছাসেবকের মোবাইলে একটি এসএমএস যায়। ২) এদিন বুথ থেকে ৫০ মিটার দূরে নিরাপত্তারক্ষীকে দেখাতে হচ্ছে সেই এসএমএস। ৩. এরপর তাঁকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে। স্বেচ্ছাসেবক এবার রেজিস্ট্রেশন বুথে গিয়ে আবারও সেই এসএমএস দেখাচ্ছেন। সেখান থেকে হাতে পাচ্ছেন একটি স্লিপ। ৪. এরপর মূল বুথ চত্বরে প্রবেশ করলেন স্বেচ্ছাসেবক। সেখানে থাকা আরেক রক্ষীকে সেই স্লিপ দেখাচ্ছেন। তারপর তাঁকে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে ওয়েটিং রুমে। ৫. ওয়েটিং রুমেই স্বেচ্ছাসেবকের শরীরের তাপমাত্রা মাপা হচ্ছে। ৬) মূল টিকাকরণের বুথটি চট দিয়ে ঘেরা রয়েছে। ওয়েটিং রুম থেকে স্বেচ্ছাসেবককে ডেকে নেওয়া হচ্ছে সেই রুমে। চট দিয়ে ঘেরা বুথে চিকিৎসক সিরিঞ্জ ‘পুশ’ করছেন। ৭. বুথেই পাশে রাখা রয়েছে ল্যাপটপ। সেখানে ‘ভ্যাক্সিনেসন ডান’ ‘টিক অন’ করে দেওয়া হচ্ছে। নাম নথিভুক্ত হয়ে যাচ্ছে। ৮. এরপর ফের স্বেচ্ছাসেবককে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে ওয়েটিং রুমে। সেখানে তাঁকে তিরিশ মিনিট তাঁকে পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে। তিনি কোনওরকম অসুস্থতা বোধ করছেন কিনা, সেইটাও দেখা হচ্ছে।







