বঞ্চিতদের মুখে হাসি ফুটবে? ২০ তারিখ আপার মামলার রায় দেবে হাইকোর্ট।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ বঞ্চিতদের মুখে হাসি ফুটবে? ২০ তারিখ আপার মামলার রায় দেবে হাইকোর্ট। প্রায় ১৪ হাজার উচ্চ প্রাথমিক শূণ্যপদ থাকা সত্ত্বেও আটকে রয়েছে নিয়োগ। কারন হাইকোর্টে চলছে একাধিক মামলা। আপার প্রাইমারির চাকুরি প্রার্থীদের দুটি মামলা চলছে কলকাতা হাইকোর্টে। আপার প্রাইমারির বঞ্চিত হবু শিক্ষকদের হয়ে মামলা গুলি লড়ছেন আইনজীবী মূলত বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য, ফিরদৌস সামিম, সুবীর সান্যালরা। সেই মামলার রায়দান হতে চলেছে আগামি পরশু অর্থাৎ শুক্রবার।

আরও পড়ুনঃ কোভ্যাক্সিনের ট্রায়ালের জন্য স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে এগিয়ে এলেন হরিয়ানার মন্ত্রী।

হাইকোর্টে বিচারাধীন থাকা উচ্চ প্রাথমিকের মামলা গুলি হল ১) ভানু রায় বনাম রাজ্য সরকার, এই মামলায় চাকরিপ্রার্থীদের হয়ে লড়ছেন ফিরদৌস শামিম। এবং ২) আস্তারুল ইসলাম বনাম রাজ্য সরকার, এই মামলায় চাকরিপ্রার্থীদের হয়ে লড়ছেন বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য্য, সুবীর সান্যাল রা। সূত্রের খবর আগামী পরশু অর্থাৎ ২০ নভেম্বর বিচারপতি মৌসুমি ভট্টাচার্য রায় ঘোষণা করবেন এই মামলার।

সূত্র জানিয়েছে মামলাটি রায়দানের জন্যে স্থগিত ছিল এখন টুবি মেনসন্ড এ রাখা হয়েছে হাইকোর্টে। সাধারণভাবে হাইকোর্টে ফর জাজমেন্ট এ রাখা থাকে যেকোন মামলা। ভানু রায়ের আইনজীবী ফিরদৌস সামিম আশা প্রকাশ করেছেন ‘সুবিচারের!’ তিনি জানিয়েছেন “বঞ্চিত হবু শিক্ষকদের পক্ষেই যাবে হাইকোর্টের রায়, এই আশা রাখছি। বঞ্চিতরা ন্যায় বিচার পাক।”

বঞ্চিতদের মুখে হাসি ফুটবে? উচ্চ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয় ২০১৪ সালে, পরীক্ষা হয় ২০১৫ সালে,এবং ফল প্রকাশিত হয় ২০১৬ সালে। এরপর ২০১৯ সালে ভেরিফিকেশন ও ইন্টারভিউ নেওয়া হয় সেখানে দেখা যায় অনেক অপ্রশিক্ষনরত এবং কম নম্বর পাওয়া প্রার্থীরা ডাক পেয়েছে। এরই ভিত্তিতে আমরা হাইকোর্টে কেস করেছিলাম। এরপর বেশ কয়েকজন কেস পিটিশনের ভেরিফিকেশন ডাক পায় ।

কিন্তু এখনও প্রায় ৪২০০ জন কেস পিটিশনের অর্থাৎ রিট পিটিশনের ভেরিফিকেশন ও ইন্টারভিউ হয়নি। এরই মধ্যে কমিশনের নির্দেশে কলকাতা হাইকোর্ট ২০১৯ সালে প্রভিশনাল মেরিট লিস্ট বের করার রায় দিয়েছিল। পাশাপাশি মেরিট লিস্ট র উপর কারোর কোনো অভিযোগ থাকলে কমিশনে জমা করার কথা বলেছিলেন বিচারপতি। সেই মতো প্রায় ১২০০০ প্রার্থী অভিযোগ করেছিল।

অভিযোগ মূলত ছিল নিম্নলিখিত বিষয়গুলির উপর
১) অনেক অপ্রশিক্ষনরত প্রার্থী র মেরিট লিস্ট এ অন্তর্ভুক্তি ।
২) যারা এখনো ভেরিফিকেশন এবং ইন্টারভিউ এ ডাক ই পায়নি তাদের তুলনায় কম স্কোর প্রাপ্য প্রার্থী মেরিট লিস্ট এ অন্তর্ভুক্তি।
৩) মেরিট লিস্ট প্রার্থীদের টেট ওয়েইটেজ নিয়ম বহির্ভূত বৃদ্ধি।
৪) রেশিও মেইনটেইন না করা।
৫) গেজেট না মানা।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত