নজরবন্দি ব্যুরোঃ ভোট আবহে কাটছে জট, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে সম্মতি সুপ্রিম কোর্টের। প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি, আর তা নিয়েই চলছিল একের পর এক মামলা। দুর্নীতির অভিযোগে হাইকোর্টে ৬ টি মামলা হয়েছিল রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে। গত ২৩ ডিসেম্বর পর্ষদ ১৬ হাজার ৫০০টি শূন্য পদের জন্য প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করে। ২০২১ জানুয়ারি মাসের ১০ থেকে ১৭ তারিখ পর্যন্ত ইন্টারভিউ হয়। প্রায় ত্বরিৎগতিতে সমগ্র প্রক্রিয়া শেষ করে ১৬ ফেব্রুয়ারি ফল প্রকাশ করে বোর্ড। শুরু হয় কাঊন্সেলিং ও নিয়োগপত্র দেওয়ার কাজ। সেই নিয়োগেই স্থগিতাদেশ দিয়েছিল আদালত।
আরও পড়ুনঃ ধুন্ধুমার বারুইপুর! তৃণমূল-ISF সংঘর্ষে মৃত ১


অন্যদিকে, সিঙ্গেল বেঞ্চের সেই স্থগিতাদেশ কে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিল পর্ষদ। সেই মামলার শুনানিছিল হয়েছিল বেশ কয়েক দিন আগেই। প্রসঙ্গত, পর্ষদ কর্তৃক প্রকাশিত মেধা তালিকায় রয়েছেন ১৫ হাজার ২৮৪ জন। অভিযোগ ছিল, প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের জন্য সদ্য প্রকাশিত মেধা তালিকা ত্রুটিপূর্ণ। এর পিছনে বড় মাপের দুর্নীতি রয়েছে। তা নিয়েই মামলা হয় কলকাতা হাইকোর্টে। মোট ৬ টি মামলা হয়েছিল প্রাথমিক নিয়োগে দুর্নীতি নিয়ে।
ভোট আবহে কাটছে জট, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে সম্মতি সুপ্রিম কোর্টের। কয়েকদিন আগেই বেতন বন্ধের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিল পর্ষদ। সেই রায়ের শুনানিও হয়েছে। শুনানিতে জানানো হয়েছিল,১৫২৮৪ জনের মেধা তালিকা স্বচ্ছ ভাবে জমা দিতে হবে, এবং প্রতিটি জেলার D.I অফিস এবং DPSC তে ওই নব নির্মিত প্যানেল জমা দিতে হবে। তার পরেও কিছূ পরীক্ষার্থী সেই নিয়োগের বিরোধীতা করে দ্বারস্থ হয়েছিলেন সুপ্রিম কোর্টের। তবে ভোটের মুখে আপাতত কাটলো জট। মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট রায় দিয়েছে, এই মুহুর্তে কোনো বাধা নেই রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে। স্বাভাবিক ভাবেই মামলার শুনানির দিকে তাকিয়ে ছিলেন রাজ্যের হাজার হাজার চাকরিপ্রার্থী। ভোট আবহে বড়ো জয় দেখছেন তাঁরা।







