৯ই আগস্ট আরজি করে তরুণী চিকিৎসকের খুন ও ধর্ষণের পর। তার মৃতদেহের কাছ থেকে উদ্ধার হয় একাধিক তথ্য। আর সেইসঙ্গে উদ্ধার হয় একটি ডাইরি যেখানে একটি সাদা পাতায় লেখা থাকে ‘খুব আনন্দে থেকো’। যদিও ডাইরির বেশ কয়েকটি পাতা আগে থেকেই ছেঁড়া অবস্থায় পড়েছিল। তবে প্রকৃতপক্ষে ওই হস্তাক্ষরটি কার এ বিষয়ে কিন্তু কোন স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়নি। এছাড়াও কি উদ্দেশ্যে বা কেন এই রূপ লেখা হয়েছে সে বিষয়েও তৈরি হয়েছে একাধিক প্রশ্ন। তাহলে কি নির্যাতিতা বুঝতে পেরেছিলেন যে তাকে মেরে দেওয়া হবে?
সূত্রের খবর, ঘটনার দিন ওই রাতের সময়সূচী মিলিয়ে দেখে এই ডায়েরির লেখা মিলিয়ে দেখছে সিবিআই। শুধু তাই নয় সোদপুর থেকে ব্যারাকপুর পর্যন্ত মৃতার চেম্বার সংক্রান্ত নানান তথ্য এবং হস্তাক্ষর মিলিয়েও দেখছে সিবিআই। এমনকি তদন্তে সাহায্য নেওয়া হচ্ছে বিশেষজ্ঞদেরও। খতিয়ে দেখা হচ্ছে এই লেখাটি কি উদ্দেশ্যে বা কোন পরিস্থিতিতে লেখা হয়েছে। পাশাপাশি দেখা হবে তার ওপর চাপ সৃষ্টি করে এই লেখানো হয়েছে কিনা। অর্থাৎ তদন্তভার হাতে পাওয়ার পর থেকেই সিবিআই রাতে সেরকম কোন উপযুক্ত প্রমাণ এখনো পর্যন্ত মেলেনি। তাই খুব ছোট ছোট প্রমাণের উপর ভিত্তি করে খুঁটিনাটি বিশ্লেষণের মাধ্যমেই তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে সিবিআই। এই পরিস্থিতিতে এই ডায়েরীতে লেখা এই উক্তিটি বর্তমানে খুব তদন্ত সাপেক্ষে বলেই মনে করছে সিবিআই এর আধিকারিকরা।


তবে প্রাথমিক তদন্তের পরে পুলিশ জানিয়েছিল মিতা অনলাইনে একটি খাবার অর্ডার করেছিলেন যেটির সময় ছিল রাত ১২টা নাগাদ। এছাড়াও পুলিশের তরফ থেকে আরো জানানো হয়েছিল যে ওই রাতে অর্ডার করা খাবার খেয়ে নীরদ চোপড়ার অলিম্পিকসে ‘জ্যাভলিন থ্রো’ দেখছিলেন ওই তরুণী চিকিৎসক। কিন্তু অন্যদিকে আবার জানানো হয় এই তরুণ চিকিৎসকের সাথে কোন ধর্ষণের ঘটনা ঘটে রাত ১০টা নাগাদ। এছাড়াও এই খেলা দেখা নিয়ে চাঞ্চল্যকর দাবী করেছেন মৃতার মাও। তাঁর দাবি তার মেয়ে কোনদিন খেলা দেখার প্রতি আগ্রহী ছিল না। ফলে কার্যত সিবিআই এর কাছে একাধিক তত্ত্বের ভিত্তিতে একটি ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে তদন্তে।







