নজরবন্দি ব্যুরোঃ সুখবর! প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভারতের করোনা ভ্যাকসিন বিতরণের কৌশল নির্ধারণ করতে শুক্রবার রাতে জরুরি বৈঠক করলেন। ভারচুয়াল বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন নীতি আয়োগের কিছু সদস্য এবং সচিব স্তরের কয়েকজন আমলা।
প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদী এদিন দেশের বর্তমান করোনা পরিস্থিতি এবং ভ্যাকসিন হাতে এলে তা কীভাবে বিতরণ করা হবে, সেসব নিয়ে এদিন বিস্তারিত আলোচনা করেন।বিশ্বের বিভিন্ন সংস্থা করোনার ভ্যাকসিন নিয়ে সুসংবাদ শুনিয়েছে।সার্বিকভাবে মনে করা হচ্ছে আগামী বছরের গোড়ার দিকেই একাধিক ভ্যাকসিন বাজারে চলে আসবে।
কিন্তু শুধু বাজারে এলেই তো হল না, ভারতের বিপুল জনসংখ্যার চাহিদাও তো প্রচুর। যা পূরণ করতে সংস্থাগুলির তিন-চার বছর পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে। তাই কারা আগে ভ্যাকসিন পাবে? তাঁদের কীভাবে দেওয়া হবে, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কীভাবে তা পৌঁছে দেওয়া হবে, কোল্ড স্টোরেজের কী বন্দোবস্ত হবে? এত ভ্যাকসিন কেনার টাকাটাই বা কোথা থেকে আসবে, এমন বহুবিধ প্রশ্ন এখন ভেসে আসছে। আর এইসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই শুক্রবার রাতে ওই জরুরি বৈঠকটি করেছেন প্রধানমন্ত্রী।
সূত্রের খবর, এদিনের বৈঠকে ভ্যাকসিন বিতরণের পদ্ধতি এবং প্রস্তুতি খতিয়ে দেখার পাশাপাশি ভ্যাকসিন তৈরির প্রক্রিয়ার কতদূর অগ্রগতি হয়েছে সেটাও খতিয়ে দেখেছেন প্রধানমন্ত্রী।যেসব বিজ্ঞানী, গবেষক এবং ওষুধের সংস্থাগুলি ভ্যাকসিন তৈরিতে নিজেদের নিয়োজিত করেছে।এবার লোকাল ট্রেনের সংখ্যা বাড়ছে শিয়ালদহ ডিভিশনে, ৬১৩ টি ট্রেন চলবে আগামী কাল থেকে!



