নজরবন্দি ব্যুরোঃ নতুন বছরের শুরু থেকেই ইউক্রেন সীমান্তে সৈন্য বাড়াতে শুরু করেছিল মস্কো। যত সময় এগিয়েছে ততই তিক্ত থেকে তিক্ততর হয়েছে দুই দেশের সম্পর্ক। অবশেষে বাজল কৃষ্ণসাগরে রনডঙ্কা। বিশেষজ্ঞদের মতে, ঠাণ্ডা লড়াইয়ের পর এই দুই দেশের সংঘাত গোটা বিশ্বে ডেকে আনতে চলেছে বিরাট বড় সঙ্কট। যারফলে আমজনতার নিত্যদিনের জীবন যাত্রায় নেমে আসবে রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতের প্রভাব।


আজ পুতিনের তরফ থেকে ইউক্রেনে সামরিক অভিযানের ঘোষণা উঠে আসতেই রেকর্ড হারে বাড়ল তেলের দাম। এবার ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলারে গিয়ে পৌঁছল অপরিশোধিত তেল। যা এক লহমায় ভেঙে দিল গত ৭ বছরের রেকর্ড। বর্তমানে ১০১.৩৪ ডলারে এসে ঠেকল অপরিশোধিত তেলের ব্যারেলের দাম। পাশাপাশি ৯৬.৩২ ডলারে গিয়ে দাঁড়িয়েছে WTI তেলের দাম। যা আগের থেকে অনেকটাই বেশি।
পাশাপাশি বাড়তে চলেছে আরও একাধিক সামগ্রীর দাম। উল্লেখ্য, করোনা আবহে এখনও উত্তপ্ত আন্তর্জাতিক বাজার। তারপর এবার ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধ। বিশেষজ্ঞদের একাংশ বলছেন, যুদ্ধের জন্য আগামী কয়েকদিনের মধ্যে কৃষ্ণ সাগর থেকে বন্ধ হতে পারে যদি শস্যের সরবরাহ। তারফলে ব্যাপক হারে বাড়তে পারে খাদ্যশস্যের দাম।
রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতের প্রভাব, বাড়ল তেলের দাম

এছাড়াও গম রপ্তানিকারীদের তালিকায় প্রথমে রয়েছে পুতিনের রাশিয়া। পাশাপাশি চতুর্থ স্থানে রয়েছে ইউক্রেন। এক কথায় গোটা বিশ্বের গম রপ্তানির একটা বিরাট অংশ এসে দুই দেশ থেকে। কিন্তু করোনার প্রভাবে দেখা দিয়েছে নিয়মিত সরবরাহের সমস্যা। ফলত বেড়েছে খাদ্যশস্যের দাম। সেকারনে এই যুদ্ধ পরিস্থিতিতে আদৌ কতটা স্বাভাবিক থাকবে পরিস্থিতি, সেই নিয়েই দেখা দিয়েছে সংশয়।









