নজরবন্দি ব্যুরোঃ স্বাস্থ্যকর খাদ্যভ্যাস এবং নিয়মিত শরীরচর্চাই সুস্বাস্থ্যের চাবিকাঠি। তবে সুস্থ থাকার পাশাপাশি দ্রুত ওজন কমিয়ে নায়িকাদের মতো রোগ ছিপছিপে চেহারার আকাঙ্ক্ষা থাকে অনেকেরই। নিয়মিত শরীরচর্চা বা ডায়েট করার পরেও কোমর বা পেটের মেদ সহজে কমতে চায় না। কিন্তু জিমে না গিয়েও বাড়িতে থেকেই এই অসাধ্য সাধন করতে পারবেন, জানেন কি?
আরও পড়ুনঃ আচমকা বন্ধ করেছেন সঙ্গম? নিজের অজান্তে এই বিপদগুলি ডাকছেন না তো?
গ্রিন টী
দিনের শুরু করুন হেলদি কোনও খাবার দিয়ে। যেমন সকালে ঘুম থেকে উঠে গরম জলের মধ্যে মধু এবং লেবু মিশিয়ে খেতে পারেন। এছাড়া যদি আপনি মধু লেবু মিশিয়ে গ্রিন টীও খেতে পারেন। এই খাবার খেলে অতিরিক্ত টক্সিন আপনার শরীর থেকে বেরিয়ে যাবে।
লিস্ট
যেদিন থেকে রোগা হওয়ার কথা ভাববেন সেদিন প্রথমেই কি কি খাবেন এবং কখন খাবেন তার একটা লিস্ট বানিয়ে নিন।
দ্রুত মেদ ঝরিয়ে রোগা ছিপছিপে কোমর চাই? জানুন সহজে রোগা হওয়ার ১০ টি উপায়।

নৃত্য
যদি আপনি নৃত্যশিল্পী নাও হন, তাহলে গানের সঙ্গে পায়ে তাল মেলান। ১০ মিনিট ধরে তাল মিলিয়ে দেখুন। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ৫৮ শতাংশ ক্যালোরি বার্ন করতে পারবেন।
মশলাদার খাবার
শুধু সিদ্ধ খাবার কখনই খাবেন না। মশলা যেমন হলুদ, ধনে, জিরেগুঁরো ইত্যাদি মশলাগুলিকে কখনওই খাবার থেকে বের করে দেবেন না। কারণ এই মশলাই আপনাকে রোগা হতে সাহায্য করবে।

ফোনে ঘুরে কথা বলুন
যখন ফোনে কথা বলবেন তখন একটা জায়গাতে বসে কখনওই কথা বলবেন না। সব সময় ঘুরে ঘুরে কথা বলুন। এইভাবে ১০ মিনিটে ৩৬ শতাংশ ক্যালোরি নষ্ট করতে পারবেন।
জল খান
প্রচুর পরিমাণে জল খান। জল খাওয়ার ফলে আপনার শরীর থেকে অতিরিক্ত টক্সিন বের করে দেওয়া সম্ভব হবে।
ঘর মুছুন
বাড়ির কাজ করুন। যেমন ঘর মুছলে সব থেকে বেশি ক্যালোরি নষ্ট করা যায়। রোগা হওয়ার জন্য এই পদ্ধতিতে রোগা হওয়া খুবই সহজ ব্যাপার। এর ফলে ৪২ শতাংশ ক্যালোরি নষ্ট করা সম্ভব।
চিনিকে না বলুন
চিনি খাওয়া একেবারে ছেড়ে দিন। ১ চা চামচে মোট ১৬ শতাংশ ক্যালোরি থেকে থাকে। তাই চায়ে বা দুধে কখনওই চিনি দিয়ে খাবেন না।

ঘুমনোর নির্দিষ্ট রুটিন তৈরি করুন
এবার থেকে সময়মতো ঘুমোতে যান ও সময়মতোই ঘুম থেকে উঠুন। দিনে ৭-৮ ঘণ্টা যাতে পর্যাপ্ত ঘুম হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখুন। শরীরকে যথাযথ বিশ্রাম না দিলে পরবর্তী দিনে কাজ করার এনার্জিতে ঘাটতি দেখা যায়। ফলে ঢিলে পড়ে যায় মেটাবলিজমও।
ডায়েটে প্রোটিন রাখুন
আর যাই হোক, আপনার রোজের ডায়েটে যাতে প্রোটিনের ঘাটতি না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখুন। কার্বোহাইড্রেট এবং ফ্যাট কমালেও প্রোটিন যথাপোযুক্ত গ্রহণ করতে হবে। সবরকমের ডাল, সয়াবিন, দুধ, পনির, মাছ, ডিম, মাংসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন। তাই এই খাবার রাখুন ডায়েটে।



