আরজি করের চিকিৎসক মৃত্যুতে প্রাথমিক রিপোর্টে ইতিমধ্যেই খুন-ধর্ষণের ইঙ্গিত মিলেছে। ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে এক সিভিক ভলেন্টিয়ারকে। তবে ওই অভিযুক্ত সিভিক ভলেন্টিয়ার কিনা তা নিশ্চিত করেনি পুলিশ। এবার সেই খুনের তদন্তেই উঠে এলো এবার চাঞ্চল্যকর তথ্য। চিকিৎসকদের অনুমান ওই মহিলা চিকিৎসককে খুনের পর ধর্ষণ করা হয়েছে। ওই তরুণীর হাত-পা ও গলায় রয়েছে আঘাতের চিহ্ন। আর সেখানেই ডানা মিলেছে একাধিক প্রশ্ন। সত্যিইকি ওই রাতে একা ছিল সঞ্জয়?
রিপোর্ট অনুযায়ী মহিলা চিকিৎসকের কোমর ঘাড় এবং হাঁটুতেও আঘাতের চিহ্ন রয়েছে ফলে নৃশংসভাবে তাকে খুন করা হয়েছে বলে দাবি চিকিৎসকদের। এছাড়াও প্রাথমিক রিপোর্টের ইঙ্গিত মেলে, আক্রমণের সময় ওই মহিলা নিজেকে বাঁচাতে যতটা প্রতিরোধ করা দরকার ছিল ততটা করতে পারেনি। যদিও এ বিষয়ে পুলিশের দাবি। অভিযুক্ত খুবই বলশালী। যার ফলে আক্রমণের সময় ওই মহিলা পেড়ে উঠতে পারেনি। এবং ওই মহিলাকে খুব শক্তভাবে হাত, পা ও গলা চেপে ধরে ওই অভিযুক্ত। যে কারণেই ওই মহিলা প্রতিরোধ করার সুযোগ পাননি।


আর এখানেই প্রশ্ন উঠছে তাহলে কি সত্যিই সুযোগ পাননি নাকি নাকি অভিযুক্ত একা ছিল না? পাশাপাশি এ প্রশ্ন উঠছে যে যদি প্রকৃতই ওই অভিযুক্ত একা থাকে তাহলে ওই মহিলা চিৎকার করেননি কেন? আর এইসব প্রশ্নই এখন ভাবাচ্ছে তদন্তকারীদের। এছাড়াও নির্যাতিতার শরীরেও একাধিক জায়গায় আঁচড়ের ক্ষত পাওয়া গিয়েছে। পাশাপাশি ওই তরুণীর ঘোর থেকে একাধিক নমুনা সংগ্রহ করেছে ফরেন্সিক দল।
সেই নমুনা গুলিই এখন তাঁরা সঞ্জয়ের ডিএনএ-র সঙ্গে মিলিয়ে দেখার চেষ্টা করছে। এই নমুনা ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে তদন্ত কারীরা নিশ্চিত হতে চাইছে ওই সমস্ত পাওয়া নমুনা সঞ্জয়ের নাকি আরও অন্য কারোর।অর্থাৎ তারুনি চিকিৎসক খুনের পেছনে তদন্ত আরও জোরাল হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রকৃতই যদি কিছু নমুনা সঞ্জয়ের ডিএনএ এর সঙ্গে না মেলে।








