TET: পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতির মাঝেই রাজ্যে টেট, প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের বৈঠকে সিদ্ধান্ত

TET: পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতির মাঝেই রাজ্যে টেট, প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের বৈঠকে সিদ্ধান্ত
TET appointment will be last month of the year

নজরবন্দি ব্যুরোঃ ডিসেম্বরের মধ্যেই রাজ্যে হতে চলেছে প্রাথমিক টেট। শুক্রবার প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের অ্যাড হক কমিটির বৈঠকে নেওয়া হল সিদ্ধান্ত। পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতির মাঝেই রাজ্যে টেট পরীক্ষা। এদিন কমিটির তরফে জানানো হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সেপ্টেম্বরের মধ্যেই টেট সম্ভব নয়। তাই বছর শেষেই হবে টেট।

আরও পড়ুনঃ SSC-TET Scam: চাই ৬০ হাজার জনের নিয়োগ তালিকা, স্পষ্ট নির্দেশ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

প্রতি বছর নিয়ম মেনে টেট করাতে হবে। সেই নির্দেশের পরেই তৎপর হল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। শুক্রবারত অ্যাড হক কমিটির বৈঠকের পৌরহিত্য করেন সংসদের নয়া সভাপতি গৌতম পাল। সেখানেই নিয়োগ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী বছরের শুরুতেই নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের টেট পরীক্ষা হয়েছিল। সেখানে ৬ টি প্রশ্ন ভুল ছিল বলেও অভিযোগ উঠেছিল। এরপর ২০১৬ এবং ২০১৯ সালে চাকরি পান উত্তীর্ণরা। কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে আটকে রয়েছে নিয়োগ প্রক্রিয়া। হাই কোর্টের নির্দেশে শুরু হয়েছে নিয়োগ প্রক্রিয়া। ২৮ সেপ্টেম্বর নিয়োগ নিয়ে অবগত করতে হবে হাই কোর্টকে।

পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতির মাঝেই রাজ্যে টেট, বিরাট পদক্ষেপ পর্ষদের 
পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতির মাঝেই রাজ্যে টেট, বিরাট পদক্ষেপ পর্ষদের 

তৃণমূল সরকারের জমানায় এখনো পর্যন্ত ৩ বার প্রাথমিক টেটের আয়োজন হয়েছে। প্রত্যেকবারেই চরম দুর্নীতির অভিযোগ বারবার উঠে এসেছে। শুক্রবার নজিরবিহীন রায় দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টয়ের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি বলেন, নম্বর বিভাজন সহ সমস্ত তথ্য দিয়ে আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে চাই ৬০ হাজার জনের নিয়োগ তালিকা। শুক্রবার এমন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে নির্দেশ দিয়েছেন কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতির মাঝেই রাজ্যে টেট, বিরাট পদক্ষেপ পর্ষদের 

পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতির মাঝেই রাজ্যে টেট, বিরাট পদক্ষেপ পর্ষদের 
পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতির মাঝেই রাজ্যে টেট, বিরাট পদক্ষেপ পর্ষদের 

অভিযোগ, কখনও সাদা খাতা জমা দিয়ে নিয়োগ হয়েছে। আবার কখনও ইন্টারভিউতে বাড়িয়ে নম্বর দেওয়া হয়েছে। আবার কখনও টাকার বিনিময়ে নিয়োগ হয়েছে। সেই অভিযোগের পরেই এই পদক্ষেপ নিল কলকাতা হাইকোর্ট।