ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে উত্তেজনা বাড়ছে। সম্প্রতি সীমান্তে দেখা গিয়েছে বাংলাদেশের অ্যাটাকিং ড্রোন, যা নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ড্রোন নজরদারির উদ্দেশ্যে নয়, বরং হামলার জন্য ব্যবহৃত হয়। ইউনূস সরকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এই পদক্ষেপ নতুন কোনও পরিকল্পনার ইঙ্গিত দিচ্ছে কি না, তা নিয়ে বাড়ছে ধোঁয়াশা।
সীমান্তে যে ড্রোন দেখা গিয়েছে, সেটি বেরাখতার অ্যাটাকিং ড্রোন। সাধারণত এই ড্রোন সামরিক হামলার জন্য ব্যবহৃত হয়। সমর বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি নিছকই নজরদারি ড্রোন নয়। তবে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এই ড্রোন মোতায়েনের প্রকৃত কারণ সম্পর্কে এখনো কোনও তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। অনেকেই মনে করছেন, দেশের ভেতরে অনুপ্রবেশ ঠেকানোর উদ্দেশ্যে এই ড্রোন ব্যবহার হতে পারে।


সমর বিশেষজ্ঞদের বিশ্লেষণ
প্রাক্তন বায়ুসেনা কর্তা আর কে দাস বলেন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মানুষ সীমান্ত পার করার প্রবণতা বাড়ছে। ইউনূস সরকার সেই প্রবণতাকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায়। তিনি আরও বলেন, “এই ড্রোন সম্ভবত সীমান্তে নজরদারির জন্য মোতায়েন করা হয়েছে।”
ভারতের দৃষ্টিকোণ ও সীমান্তের নিরাপত্তা
ভারতে বিএসএফ সীমান্তে কড়া নজরদারি চালাচ্ছে। বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচারের বিষয়টি ভারতেও আলোচিত হয়েছে। চিন্ময়কৃষ্ণ দাসের গ্রেফতারি এবং বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতি সীমান্তে অনুপ্রবেশের সমস্যা বাড়াচ্ছে। এই অবস্থায় অ্যাটাকিং ড্রোনের উপস্থিতি সীমান্তে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
বাংলাদেশের নতুন কৌশল কি?
সীমান্তে অ্যাটাকিং ড্রোন মোতায়েনের ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে ইউনূস সরকারের কৌশল নিয়ে। সমর বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছাড়া এ ধরনের ড্রোন মোতায়েন হয় না। বাংলাদেশের এই পদক্ষেপ ভবিষ্যতে ভারত-বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্ককে নতুন দিকে নিয়ে যেতে পারে।










