নজরবন্দি ব্যুরোঃ বুলেট ট্রেনে বসলে এবার সোজা চাঁদে? বুলেট ট্রেন দ্রুতগামী সে তো সবাই জানে। কিন্তু সেই বুলেট ট্রেনে চড়ে বসলেই চলে যাওয়া যাবে সোজা চাঁদে কিম্বা মঙ্গল গ্রহে? সেই খবরই সোনা যাচ্ছে এবার জাপান থেকে। অন্যান্য দেশেকে পিছনে ফেলে পৃথিবী থেকে বুলেট ট্রেনে করে সোজা চাঁদে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছে এই দেশের বিজ্ঞানীরা। এই প্রকল্পে সাফল্য পেলে পৃথিবী থেকে মঙ্গলেও বুলেট ট্রেন চালাবে তারা এমনটাই জানা গিয়েছে।
আরও পড়ুনঃ সিবিআইয়ের চার্জশিটে ৪১ জন, কয়লা পাচারকাণ্ডে রাঘব বোয়ালদের নাম
একই সময় একদিকে আমেরিকা ফের চাঁদে যাওয়ার পরিকল্পনা করছে এবং অন্যদিকে চিন মঙ্গলে প্রাণের সন্ধান করছে। এই সময় রাশিয়াও চিনের সঙ্গে মিলে চাঁদে একটি মিশন প্ল্যান করছে। এরমধ্যেই বুলেট ট্রেনে চাঁদে পৌছানর প্ল্যান করল জাপান।

জানা গিয়েছে জাপান মঙ্গলে একটি গ্লাস হ্যাবিট্যাট তৈরির পরিকল্পনাও করছে। কাচের বাসস্থান অর্থাৎ মানুষ একটি কৃত্রিম জায়গায় বাস করবে, যার বায়ুমণ্ডল তৈরি করা হবে পৃথিবীর মত। পেশী এবং হাড় সাধারণত কম মাধ্যাকর্ষণ-সহ জায়গায় দুর্বল হয়ে যায়। তাই মানুষের বাসস্থানের যোগ্য কৃত্রিম বায়ুমণ্ডল তৈরি করা হবে। এটি এমনভাবে প্রস্তুত করা হবে যাতে এত মাধ্যাকর্ষণ এবং এমন বায়ুমণ্ডল থাকে যাতে মানুষের পেশী এবং হাড় দুর্বল না হয়।

চাঁদ ও মঙ্গলে কি বুলেট ট্রেন চলতে পারে! অসম্ভব হলেও জাপানের জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা চাঁদ ও মঙ্গলে আন্তঃগ্রহ ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন। কিন্তু কীভাবে তা সম্ভব? জাপান এই পরিকল্পনায় সফল হলে মানুষের জন্য অন্য গ্রহে বসবাসের পথ খুলে যাবে। যদিও এই গ্লাস হ্যাবিটাটের এর বাইরে যেতেও মানুষকে স্পেসসুট পরতে হবে।

এখন পর্যন্ত আমরা শুধুমাত্র চন্দ্রযান এবং মঙ্গলযান সম্পর্কে জেনেছি। কিন্তু এবার শীঘ্রই মানুষ পৃথিবী থেকে বুলেট ট্রেনে চড়ে চাঁদ এবং মঙ্গল গ্রহে যেতে সক্ষম হবে। এই মুহূর্তে এই নিয়ে জাপান একটি বড় প্রকল্পে কাজ করছে। এর আওতায় পৃথিবী থেকে চাঁদে বুলেট ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে জাপান। জাপানের পরিকল্পনা হচ্ছে এই বুলেট ট্রেন প্রথমে চাঁদে নিয়ে যাবে, এই পরিকল্পনা সফল হলে মঙ্গলগ্রহেও নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
অবিশ্বাস্য! পৃথিবী থেকে বুলেট ট্রেনে চড়ে সোজা চাঁদে ও মঙ্গলে, জেনে নিন কীভাবে

আর এরই পাশাপাশি জাপান মঙ্গলে বানাতে চলেছে সেই দুর্দান্ত কাঁচের বিশেষ আবাসস্থল। এর মানে হচ্ছে জাপান মঙ্গলে এমন একটি কৃত্রিম মহাকাশ বাসস্থান তৈরি করবে, যার বায়ুমণ্ডল পৃথিবীর মতো তৈরি করা হবে, যাতে মানুষ সেখানে বসবাস করতে পারেন এবং মঙ্গলের বায়ুমণ্ডলের কোনও প্রভাব না পড়ে।



