যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর উপর বর্বরোচিত হামলার বিরুদ্ধে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে শনিবার সন্ধ্যায় ধীক্কার মিছিলে নেমে আসা হয়েছে। মিছিলের নেতৃত্ব দেবেন তৃণমূল নেতা শ্রী অরূপ বিশ্বাস এবং টালিগঞ্জের সকল নেতা-কর্মীকে এই মিছিলে অংশগ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
আজকের তৃণমূল কংগ্রেসের মহা সমাবেশ রাজ্যের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হতে চলেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য কেবল দলীয় কর্মীদের জন্যই নয়, রাজ্যের সাধারণ মানুষের জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা হতে পারে। বিজেপির বিরুদ্ধে তৃণমূলের লড়াই আরও শক্তিশালী হবে, এমনটাই আশাবাদী দলীয় নেতা-কর্মীরা।
এ ধরনের মন্তব্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক দৃঢ়তার পরিচয় পাওয়া যায়, যেখানে তিনি রাজ্যের শান্তি রক্ষা করার জন্য সরকারের ভূমিকার প্রতি দৃঢ় মনোভাব প্রকাশ করেছেন।
তৃণমূলের একক লড়াইয়ের সিদ্ধান্ত রাজ্য রাজনীতির দৃষ্টিকোণ থেকে একটি বড় পরিবর্তন বলে মনে করা হচ্ছে। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের সাথে জোটের সম্ভাবনা একেবারে খারিজ হয়ে গেলো এবং তৃণমূলের একক লড়াইয়ের পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেলো।
এরপর তিনি একাধিকবার তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ করেছেন। তবে এখন কি তিনি আবার সেই দলের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠছেন? সুকান্ত মজুমদারের মন্তব্যে সেই প্রশ্নটি আরও জোরালো হয়ে উঠেছে। তৃণমূলের পক্ষ থেকে অবশ্য এখনও কিছুই জানানো হয়নি।
এই বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে সরাসরি আহ্বান জানানো হয়েছে, অভয়ার বাবা-মা যেন কোনো ধরনের রাজনৈতিক চক্রান্তের অংশ না হন এবং ন্যায়বিচারের পথে দাঁড়িয়ে মেয়ের হত্যাকারীর শাস্তির দাবি করেন।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কংগ্রেস থেকে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক আজও জারি রয়েছে। এই ঘটনা শুধুমাত্র বাংলার রাজনীতির মোড় ঘুরিয়ে দেয়নি, কংগ্রেসের ভবিষ্যতের দিকেও বড় প্রভাব ফেলেছে।