নির্বাচনে তৃণমূল ২৫০-এর বেশি আসন পাবে এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবার মুখ্যমন্ত্রী হবেন।” কুণাল ঘোষ আরও বলেন, “দিল্লির ভোটের ফল বাংলায় কোনও প্রভাব ফেলবে না। দিল্লির ঘটনা দিল্লিতে, এখানে আমাদের কোনো মন্তব্য নেই।”
সুকান্তের উত্তরবঙ্গ বিভাজন বিতর্কের পরে রাজ্যের দুই জেলা সম্পর্কে নিশিকান্তের এমন প্রস্তাবের সরব তৃণমূল। দলের প্রবীণ সাংসদ সৌগত রায় বলেন, বিজেপি বাংলায় কিছু করতে না পেরেই এ সব জঘন্য কথা বলছে। নিশিকান্ত দুবেও সাম্প্রদায়িক বিরোধি কথা বলছেন। দেশকে পাকিস্তানে পরিণত করতে চলেছে বিজেপি। পাশাপাশি বাংলাকে ভাগ করার চক্রান্ত করছে বিজেপি।
উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গে উত্তরবঙ্গকে যুক্ত করার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে দিয়েছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। আর তা নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। এই প্রসঙ্গে বিষ্ণুপ্রসাদ শর্মা বললেন, "উত্তরবঙ্গ নিয়ে সুকান্ত মজুমদারের মন্তব্য অবাস্তব। কোনওদিনই সম্ভব নয়। লোকসভা ভোটের ফলাফলে হতাশ উনি। উত্তরবঙ্গের মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন উনি।"
বুধবার বিজেপির রাজ্য কর্মসমিতির বৈঠক হল সায়েন্স সিটি অডিটোরিয়ামে। উল্লেখ্য, বর্ধিত আকারেই বিজেপির রাজ্য কর্মসমিতির বৈঠক হল। জেলা সভাপতি, জেলা ইন-চার্জ-সহ দলের সর্বস্তরের নেতাদের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। ছিলেন রাজ্য স্তরের সমস্ত মোর্চা এবং শাখা সংগঠনের সদস্যেরা। সুকান্ত মজুমদার, শুভেন্দু অধিকারী, দিলীপ ঘোষরাও ছিলেন। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের মধ্যে সুনীল বনশল, মঙ্গল পাণ্ডেরা আসেন এই বৈঠকে।
"দাদা, সিবিআইকে বলুন একে অ্যারেস্ট করিয়ে দিতে, সঙ্গে সঙ্গে আমরা জিতে যাব। হবে না! ওকে জেলে ঢুকিয়ে দিন, জিতে যাব। হবে না!" এর পরেই উদাহরণ দিয়ে সুকান্ত বলেন, "অনুব্রত মণ্ডল তো জেলে ছিলেন। আছেন তো জেলে? বীরভূম জিতেছি আমরা?"