কারণ RTI-র উত্তরে SSC স্বীকার করেছে যে শিট এখনও থেকে যেতে পারে।” আবারো আলোচনার কেন্দ্রে SSC নিয়োগ দুর্নীতি এবং OMR শিট প্রকাশ। অপেক্ষায় গোটা রাজ্য—প্রকাশ হবে কি সেই হার্ডডিস্ক?
প্রায় ৬ হাজার অতিরিক্ত পদ তৈরির বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ বাতিল করল শীর্ষ আদালত, সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ— কোন বেআইনি কাজ হয়নি রাজ্যের মন্ত্রিসভার তরফে। নিয়োগ দুর্নীতি আবহে বিরাট স্বস্তি মমতা সরকারের।
এরই মধ্যে, ৭ এপ্রিল নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে মুখ্যমন্ত্রীর ডাকে উপস্থিত থাকবেন চাকরিহারারা। তাঁরা মুখিয়ে আছেন মমতার কাছ থেকে স্পষ্ট বার্তা পাওয়ার আশায়। পাশাপাশি, পশ্চিমবঙ্গ বঞ্চিত চাকরিপ্রার্থী, চাকরিজীবী ও চাকরিহারা ঐক্যমঞ্চ-এর পক্ষ থেকে নবান্ন অভিযান-এর ডাকও দেওয়া হয়েছে।
রায় দিতে গিয়ে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না এবং বিচারপতি সঞ্জয় কুমারের ডিভিশন বেঞ্চ এই সিদ্ধান্ত নেন। তবে ২০১৬ সালে চাকরি পাওয়া দৃষ্টিহীন ১৮ জনের চাকরি অবশ্য বাতিল করা হয়েছে।
২৬ হাজার চাকরি বাতিল হওয়া শুধুমাত্র প্রার্থীদের সমস্যা নয়, বরং এটি রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থা এবং প্রশাসনিক কার্যকারিতার উপর গভীর প্রভাব ফেলতে পারে। তৃণমূল সরকার কীভাবে এই চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করবে, তা এখন সময়ই বলবে।
২০২৬ সালের নির্বাচনে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ভূমিকা কী হবে, তা নিয়ে দলের অভ্যন্তরে চর্চা চলছে। যদিও সুপ্রিম কোর্টের রায়ের কারণে তার মন্ত্রিত্ব পাওয়ার সম্ভাবনা নেই, তবুও তাকে প্রার্থী করা হবে কিনা, তা নিয়ে জল্পনা চলছে।
২৬ হাজার শিক্ষক নিয়োগের ভবিষ্যৎ সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করছে। যোগ্য ও অযোগ্য প্রার্থীদের পৃথকীকরণের পক্ষে রাজ্য সরকারের যুক্তি আদালতে গ্রহণযোগ্য হবে কি না, তা সময়ই বলবে। চাকরি প্রার্থীরা শীর্ষ আদালতের চূড়ান্ত রায়ের অপেক্ষায়।