কত শূন্যপদ রয়েছে? তা জানতে আরটিআই হয়েছিল। কিন্তু প্রাথমিক শিক্ষক পর্ষদের তরফে যে তথ্য দেওয়া হয়েছে, সেখানে তথ্যের মিল নেই। প্রাথমিক বোর্ডের তথ্যে গড়মিল দেখতেই বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, বোর্ডের সভাপতির সঙ্গে বসুক মামলাকারী। এরপরে সেই রিপোর্ট দিতে হবে এক সপ্তাহের মধ্যে।
প্রাথমিকে বেআইনি নিয়োগ নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এমনিতেই জর্জরিত রাজ্যের শাসক দল এবং সরকার। ইতিমধ্যেই হাইকোর্টের নির্দেশে একাধিক মামলার তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই। সিবিআই দফতরে একাধিকবার হাজিরা দিতে হয়েছে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীদের। নিয়োগ দুর্নীতিতে জড়িত থাকার অভিযোগে সভাপতি পদ খুইয়েছেন মাণিক ভট্টচার্য।
নজরবন্দি ব্যুরোঃ শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে চরম অচলাবস্থা রয়েছে রাজ্যে। নিয়োগকে কেন্দ্র করে চরম জালিয়াতি হয়েছে আন্দাজ করে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। চাকরি চলে গেছে...
শিক্ষক নিয়োগে চরম দুর্নীতি, পর্ষদ সভাপতিকে সরানোর নির্দেশ হাই কোর্টের। এখনই মাণিক ভট্টাচার্যকে সরানোর নির্দেশ আদালতের। আগামীকাল কাল দুপুর ২টোর মধ্যে সশরীরে হাজিরা দিতে হবে তাঁকে। নতুন সভাপতি পদে নিযুক্তি না হওয়া অবধি সভাপতির পদ সামলাবেন সচিব।
স্কুলেই চলছে মদের ঠেক, আসর জমাচ্ছেন শিক্ষকরা। পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরে এক প্রাথমিক স্কুলে সদ্য বিয়ে হওয়া শিক্ষক তাঁর সহকর্মীদের স্কুলেই মাংস ভাত এবং মদ খাওয়ানোর কথা বলেছিলেন। সেইমতো গত শনিবার আয়োজনও হয় তা। এর প্রতিবাদে গতকাল, সোমবার স্কুলের সামনে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকার লোকজন।
মামলায় যুগান্তকারী রায় ঘোষণা করলে কলকাতা হাইকোর্ট। আদালতের তরফে জানানো হয়েছে পরীক্ষার্থীদের দেখাতে হবে খাতা এবং ওএমআর শিট। একইসঙ্গে ওরিজিনাল ওএমআর শিট দেখানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত।