পাকিস্তান এবং ভারতের বিভিন্ন এলাকায় কম্পন তৈরি করেছে, তেমনি আবার আশার কথা হলো, এখন পর্যন্ত কোনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবে, ভূমিকম্পের তীব্রতা ও এর প্রভাব এলাকায় ভবিষ্যতে কিছু পরিবর্তন আনতে পারে। সকলকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হচ্ছে।
এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ফলে তিব্বতের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক স্থাপনাগুলিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, ভূমিকম্পের পরবর্তী সময়ে আরও আফটারশক হতে পারে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
নেপাল-তিব্বত সীমান্তে এই বিধ্বংসী ভূমিকম্প দুই দেশের বাসিন্দাদের জন্য এক বড় বিপর্যয়। পরপর আফটারশক পরিস্থিতিকে আরও সংকটজনক করে তুলেছে। দ্রুত ও কার্যকরী উদ্ধারকাজের মাধ্যমে ক্ষয়ক্ষতি কমানোই এখন প্রধান লক্ষ্য।