৬ বার আফটারশক, মৃতের সংখ্যা ৫০ পেরলো

রিখটার স্কেলে ৭.১ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল নেপাল-তিব্বত। বিধ্বস্ত ডিংরি কাউন্টি, উদ্ধারকাজে চ্যালেঞ্জ ঠান্ডা আবহাওয়া।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নতুন বছরের শুরুতেই তীব্র ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল নেপাল ও তিব্বতের বিস্তীর্ণ অঞ্চল। রিখটার স্কেলে ৭.১ মাত্রার কম্পনের জেরে দুই দেশেই ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। চিনা সংবাদমাধ্যম সিসিটিভি সূত্রে খবর, এখন পর্যন্ত মৃত্যু সংখ্যা ৫৩ ছাড়িয়েছে, গুরুতর আহত হয়েছেন অন্তত ৬৮ জন।

ন্যাশনাল সেন্টার ফর সেসমিলজির রিপোর্ট অনুযায়ী, ভূমিকম্পটি অনুভূত হয় মঙ্গলবার সকাল ৬টা ৩৫ মিনিটে।

Shamim Ahamed Ads
  • উৎসস্থল: নেপাল-তিব্বত সীমান্তের কাছে শিজ্যাং
  • কম্পনের গভীরতা: মাটি থেকে ১০ কিলোমিটার নিচে
  • প্রভাব: দিল্লি, বিহার-সহ উত্তর ভারতের একাধিক অঞ্চল

প্রথম ভূমিকম্পের পরপরই এক ঘণ্টার মধ্যে ৬ বার আফটারশক হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী দুটি আফটারশকের মাত্রা ছিল ৪.৭ ও ৪.৯। আফটারশকের কারণে শিজ্যাং এবং ডিংরি কাউন্টি ভয়াবহ ক্ষতির মুখে পড়েছে।

চিনা সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ডিংরি কাউন্টি, যেখানে প্রায় ৬২,০০০ মানুষ বসবাস করেন। বাড়ি-ঘর ভেঙে গুঁড়িয়ে গিয়েছে। শিগতাসে শহর কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। প্রচণ্ড ঠান্ডার কারণে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে।

চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন। তবে ঠান্ডা আবহাওয়া ও বিপর্যস্ত পরিকাঠামোর কারণে উদ্ধারকাজে সমস্যা দেখা দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

নেপাল-তিব্বত অঞ্চল টেকটোনিক প্লেটগুলির সংযোগস্থলে অবস্থিত, যা ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত। রিখটার স্কেলে ৭.১ মাত্রার ভূমিকম্প এই অঞ্চলের বাসিন্দাদের আবারও বড় ধরনের ধাক্কা দিল।

নেপাল-তিব্বত সীমান্তে এই বিধ্বংসী ভূমিকম্প দুই দেশের বাসিন্দাদের জন্য এক বড় বিপর্যয়। পরপর আফটারশক পরিস্থিতিকে আরও সংকটজনক করে তুলেছে। দ্রুত ও কার্যকরী উদ্ধারকাজের মাধ্যমে ক্ষয়ক্ষতি কমানোই এখন প্রধান লক্ষ্য।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত