চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির প্রস্তুতির জন্য এই সিরিজটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে দলগত সংহতি এবং পারফরম্যান্সের নিরীক্ষা করতে চাইবেন নির্বাচকরা।
কোনও মন্তব্য করেননি হার্দিকও। এহেন পরিস্থিতিতে একদিকে খেলোয়াড়ি জীবনের চ্যালেঞ্জ, অন্যদিকে ব্যক্তিগত সম্পর্কের তিক্ততা সংক্রান্ত গুঞ্জন- জোড়া ফলায় বিদ্ধ হতে হতে মাঠে নেমে পড়লেন টিম ইন্ডিয়ার সহ অধিনায়ক।
মনে করা হচ্ছে বোর্ড যেহেতু টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য রোহিত শর্মাকে অধিনায়ক করার পক্ষপাতী তাই এই সিরিজে ভারতীয় দলের অধিনায়ক হয়ে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি খেলতে পারেন হিটম্যান।
২০১৫ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের একজন গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিলেন হার্দিক। ব্যাটে বলে বিরোধী পক্ষকে চাপে ফেলতে ভালই পারেন তিনি। ২০২২ সালে আইপিএলের নতুন দল গুজরাট টাইটান্সের অধিনায়ক হিসেবে দেখা যায় তাঁকে।
প্রথম বার আমরা চ্যাম্পিয়ন হয়েছি। দ্বিতীয় বারও ফাইনালে উঠেছি। হার্দিক নিজের পুরনো দল মুম্বই ইন্ডিয়ান্সে ফিরে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিল আমাদের কাছে। আমরা ওর সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়েছি। ওর ভবিষ্যতের জন্য আমাদের শুভেচ্ছা থাকল”।
ভারতের পরবর্তী ম্যাচ ২রা নভেম্বর শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে। এরপর ৫ই নভেম্বর দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে এবং ১২ই নভেম্বর নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে। ভারত যদি সেমিফাইনালে ওঠে তবে সেই ম্যাচ খেলা হবে ১৫ কিংবা ১৬ তারিখ অর্থাৎ হাতে এখনও দু'সপ্তাহ সময় আছে। এই দুই সপ্তাহের মধ্যে গোড়ালি চোট কাটিয়ে হার্দিক পান্ডিয়া আবারও দলে ফিরতে পারেন।
ভারতীয় দলে প্রথম থেকেই তাঁর পারফরম্যান্স ছিল উল্লেখযোগ্য। কিন্তু চোটের কারণে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলতে পারেননি অলরাউন্ডার তারকা। এখন জানা যাচ্ছে, আগামী আরও কয়েকটি ম্যাচ খেলতে পারবেন না হার্দিক। তাঁর আবারও মাঠে নামা নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।