ব্যস্ত সিডিউলে আমরা নিজেদের যত্ন নিতে ভুলেই যাই। ত্বকের যত্ন নেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সময় আমাদের কাছে থাকে না। ফেসওয়াশ থেকে শুরু করে ঘরোয়া টোটকা, ফেশিয়াল.. সব কিছুই ট্রাই করি আমরা। কিন্তু আজকাল কার দিনে প্রায় সবেতেই ভেজাল মেশানো। তাই এত কিছু করার পরেও ত্বক ভালো হওয়ার জায়গায় আরও খারাপ হয়ে যায়।
গরম হোক বা বর্ষাকাল। সে কোন সময়েই মানুষের ডিহাইড্রেশনের সমস্যা দেখতে পাওয়া যায়। আর অনেক সময় পর্যাপ্ত পরিমানে জল খেলেও শরীরে সেই জলের চাহিদা পূর্ণতা পায়না। তাই জল এবং সাথে ফল দুটোই খেতে হবে। আর এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশী উপযোগী পেয়ারা। কারন পেয়ারাতে থাকে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি।
ডায়াবিটিস হওয়ার ভয়ে আগে থেকেই মেপে খান চিনি। প্রয়োজনের থেকে অতিমাত্রায় চিনি খাওয়া হয়ে গেলে দুশ্চিন্তায় পরে যান! ডাক্তাররাও ডায়াবিটিস রুগীদের পাশাপাশি সাধারন মানুষকেও চিনি খাওয়া নিয়ন্ত্রন করতে বলেন। তবে শর্করার মাত্রা শুধু চিনি থেকেই বাড়ে না। আরও অনেক রকমের খাবার রয়েছে যা থেকে শর্করা বাড়তে পারে।
এখনও চলছে গরমকাল। সামনে গেল জামাইষষ্টি । আম, জাম। কাঁঠাল, তরমুজ থেকে শুরু করে সমস্ত ফল কিনলেও বাতিলের খাতায় ফেলছেন জামরুল কে? আমাদের দেশ থেকে প্রায় ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে এই ফল। বাঙালিদের মধ্যে এই ফল খাওয়ার ঝোঁক ও কম।
ফল খেতে অনেক মানুষ ভালো বাসে না। তবে ফল যে শরীরের জন্য কতটা উপকারি তা হয়তো সবাই জানে। ফলের গুন রয়েছে অনেক শরীরের যেকোন দরকারে ভুল খুব ভালো কাজ দেয়। তাই ফল মুখে না রুচলেও খেতে পারেন ফ্রুট কাস্টার্ড। আজ রইল সেই সহজ রেসিপি।
আসছে জামাইষষ্টি। আর জামাইষষ্টিতে বাঙালিদের মধ্যে ফল দিয়ে আপ্যায়ন করার প্রথা প্রচলিত রয়েছে। আর গরম কালে ফলের রাজা আমকে যদি পাতে না রাখা যায় তাহলে পাত ঠিক জমে না। কিন্তু জামাইয়ের জন্য বাজার থেকে যে আম কিনেছেন সেটি মিষ্টি হবে কিনা বুঝবেন কিকরে?
শরীর সুস্থ রাখতে রোজ খাদ্য তালিকায় আপেল রাখার কথা সবার মুখে মুখে প্রচারিত। সকালে টিফিনে বা বিকেলের নাস্তায়, অনেকে আবার ডায়েতেও অ্যাড করেন আপেল। নিজের শরীরের ভালোর জন্যই রোজ আপেল নিয়ম করে অনেকে খান। কিন্তু নিয়মিত অপরিমিত আপেল খাওয়া স্বাস্তের পক্ষে ক্ষতিকারক বলছে গবেষণা।