আরজি করের ঘটনার পর টানা ১৫ দিন ধরে সন্দীপকে জেরা করে সিবিআই। তাঁর বাড়িতে গিয়েও অনেক তথ্য সংগ্রহ করে আনেন কেন্দ্রীয় এজেন্সির গোয়েন্দারা। সন্দীপের বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ তুলেছেন আরজি করের প্রাক্তন ডেপুটি সুপার আখতার আলি। চিকিৎসা সরঞ্জাম বেআইনিভাবে বিক্রি করার পাশাপাশি মর্গ থেকে লাশ পাচারের মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে সন্দীপের বিরুদ্ধে। এমনকি চিকিৎসক পড়ুয়াদের থেকে পাশ-ফেল করানোর জন্যও টাকা নিতেন সন্দীপ!
রোজ হাজিরা দিয়েছেন। মক্কেলের হয়ে জামিন চাইছি না। তবে দশ দিনের আবেদন কমানো হোক। সবার কথা শোনার পরে বিচারক সন্দীপ ঘোষকে ৮ দিনের জেল হেফাজত মঞ্জুর করেছেন।
সেখানেও প্রবল বিক্ষোভের মুখে পড়েন তিনি। এর পর কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে আপাতত লম্বা ছুটিতে আর জি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ। তবে দুর্নীতি মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে সূত্রে খবর। আর সেই খবর পৌঁছানোর পরই উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েছেন জুনিয়র ডাক্তাররা।
প্রথমত, খুনের কি উদ্দেশ্য ছিল, কেন তাঁকে খুন হতে হল? এবং কেন তাদের এই আরজি কর হাসপাতালের মধ্যেই খুন করতে হল? দ্বিতীয়ত, খুনের তথ্যপ্রমাণ গুলিকে কেন লোপাট করা হল?
সেমিনার রুমে সে একেবারেই ঢোকেনি, সিবিআই জেরায় নাকি এমনটাই দাবি ধৃতের। 'সেমিনার রুমে শুধু উঁকি মেরে দেখেছি', সিবিআই জেরায় পদে পদে বিভ্রান্তিকর বয়ান সঞ্জয়ের!