আরজি কর ঘটনার ২১ দিন পার তবুও এখনও নতুন কাউকে গ্রেফতার করা গেল এই ঘটনায়। এই পরিস্থিতিতে সিবিআইয়ের তদন্ত নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন সাধারণ মানুষ। এই অবস্থায় এবার সিবিআইয়ের গতিবিধি সম্পর্কে জানালেন সিবিআইয়ের প্রাক্তন অধিকর্তা। তাঁর দাবি, জুনিয়র ডাক্তাররা সিবিআইকে মুখবন্ধ খামে যে তথ্য দিয়েছেন তা খুব সাহায্য করবে তদন্তে। এমনটাই চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন তিনি। পাশাপাশি তিনি বলেন,”এই কেসে সমাধান হবেই”
এদিন তিনি জুনিয়র চিকিৎসকদের দেওয়া তথ্য সম্পর্কে বলেন,”অনেক খবর হয়তো পুলিশ পাচ্ছেন না। কিন্তু তাদের কাছে সেই আপডেটটা আছে।” পাশাপাশি ঘটনার তদন্ত সম্পর্কে তিনি আরও বলেন,”এই কেসটা ২টি পয়েন্টে আটকে আছে। প্রথমত, খুনের কি উদ্দেশ্য ছিল, কেন তাঁকে খুন হতে হল? এবং কেন তাদের এই আরজি কর হাসপাতালের মধ্যেই খুন করতে হল? দ্বিতীয়ত, খুনের তথ্যপ্রমাণ গুলিকে কেন লোপাট করা হল? তাই এখন সিবিআইয়ের মূল কাজ হল এই খুঁজে না পাওয়া তথ্যপ্রমাণ গুলিকে খুঁজে বার করার জন্য বৈজ্ঞানিক তথ্য ও অন্যান্য তথ্য প্রমাণ গুলি যেসব রয়েছে সেদিকেই দৌড়চ্ছে।”


এরপর তিনি বলেন, ” ধরুন ৫০ থেক ৬০ জনের বয়ান রেকর্ড করেছেন সিবিআই অফিসাররা। এরপর এই যে রেকর্ড করা হচ্ছে এরপর হয়তো ৫ দিন পর আবার তাকে ডাকা হল এবং আবার বয়ান রেকর্ড করা হলে দেখবেন সেখানে অনেক তফাত লক্ষ্য করা যাবে। এরপর দেখা হবে যিনি বলছেন তাঁর ফনের টাওয়ার লকেশন কোথায়। আর সাধারণ মানুষ এই তফাত টা মেলাতে পারবেন না। আর যখনই না মেলাতে পারবেন তখন এই পয়েন্টে পলিগ্রাফ টেস্ট করা হবে। এবং সবকিছু পুনরায় জিজ্ঞাসা করা হবে। তাই এই ঘতনাতেও সন্দীপ ঘোষ কে জিজ্ঞাসা করে হতে পারে ওই দিন ওই সেমিনার রুমে কেন অত মানুষ কে ঢুকতে দেওয়া হল। আপনার উচিৎ ছিল থানায় জানানো। কি উদ্যেশ্যে আপনি এত লোক ডাকলেন? আর এই সব তথ্যই তিনি মেলাতে পারবনে না। এই সমস্ত তথ্যই মিলিয়ে দেখছেন সিবিআই। তাই সাধারণ মানুষ বুঝতে পারছেন না।”








