এই ধরনের উদ্যোগ, জনগণের স্বাস্থ্য রক্ষায় এবং দেশের উন্নতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। তাই, ৩০ বছরের বেশি বয়সী সকল নাগরিককে এই পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে। এই পদক্ষেপে সরকারের পক্ষ থেকে দেশের স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন ও জনগণের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়ানো হবে।
যদিও এই চিকিৎসা বর্তমানে কিছুটা ব্যয়বহুল, তবে এর কার্যকারিতা এবং রোগীকে দ্রুত সুস্থ করে তোলার ক্ষমতা অনেক ক্ষেত্রে ক্যানসারের বিরুদ্ধে যুদ্ধকে আরও সফল করেছে। রোগীদের জন্য এটি নতুন একটি দিশা এবং ভবিষ্যতে এই চিকিৎসা পদ্ধতিকে আরও সাশ্রয়ী ও প্রাপ্য করে তোলা সম্ভব হবে।
বিশ্বে ক্যানসারে যত মহিলার মৃত্যু হয় তার একটি বড় অংশই এই সারভাইক্যাল ক্যানসারের রোগী। ভারতে মহিলাদের ক্যানসার আক্রান্তদের মধ্য়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে সারভাইক্যাল ক্যানসার রোগী। বিশ্বের অধিকাংশ নিম্ন ও মধ্য আয়ের দেশগুলিতে সারভাইক্যাল ক্যানসার রোগীর দেখা মেলে বেশি।
জানা গিয়েছে, এই ট্রায়াল শেষ হতে প্রায় দুই বছর সময় লাগবে। আমেরিকা জুড়ে ১০০ জন ক্যানসার রোগীর উপর পরীক্ষা করা হবে। ক্যানসার গবেষণা সংস্থা ইমুজিন লিমিটেডের মতে, এই চিকিৎসা পদ্ধতি ক্যানসারের বিরুদ্ধে মানুষের প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে পারে।