আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের নিয়ে রাজ্যপালের কাছে শুভেন্দু, পুজো পর্যন্ত রাজ্যে থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী?

দিন দুয়েক আগে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে পুলিশের বাধার সম্মুখীন হন শুভেন্দু অধিকারী। বোস বেরিয়ে তাঁদের সঙ্গে দেখা করেন। এরপর কলকাতা হাই কোর্টে মামলাও করেন বিরোধী দলনেতা।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

একুশের বিধানসভা নির্বাচনের পুনরাবৃত্তি চব্বিশের লোকসভাতেও? ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ বিরোধীদের। আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের নিয়ে রবিবার রাজভবন গিয়ে রাজ্যপালের সাথে দেখা করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সিভি আনন্দ বোসের কাছে চলতি বছর দুর্গাপুজো পর্যন্ত রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে রেখে দেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুন: ঋণে ডুবেছে জাতীয় সড়ক নির্মাণ সংস্থা, বিশ বাঁও জলে রাস্তা তৈরির কাজ?

দিন কয়েক আগে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে পুলিশের বাধার সম্মুখীন হন শুভেন্দু অধিকারী। বোস বেরিয়ে তাঁদের সঙ্গে দেখা করেন। এরপর কলকাতা হাই কোর্টে মামলাও করেন বিরোধী দলনেতা। আদালত দেখা করার অনুমতি দেয়। নিজে ‘গৃহবন্দি’ হয়ে পড়ায় সরব হন রাজ্যপালও। অবশেষে আজ রাজ্যপাল ও শুভেন্দুর সাক্ষাৎ হল। দু’জন রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছেন বলে সূত্রের খবর।

আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের নিয়ে রাজ্যপালের কাছে শুভেন্দু, পুজো পর্যন্ত রাজ্যে থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী?
আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের নিয়ে রাজ্যপালের কাছে শুভেন্দু, পুজো পর্যন্ত রাজ্যে থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী?

এদিন নাম মিলিয়ে মিলিয়ে রাজভবনে প্রবেশ করানো হয় আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের। সকলের হাতেই ছিল প্ল্যাকার্ড। শুভেন্দু নিজেও হাতে ছবি নিয়ে প্রবেশ করেন। রাজ্যপাল এসে কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেন। এরপর জাতীয় সংগীত দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়। শুভেন্দু আক্রান্তদের একটি তালিকা তুলে দেন রাজ্যপালের হাতে। মোট ১০২৫টি অভিযোগ জমা পড়েছে বলে জানিয়ছেন বোস।

আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের নিয়ে রাজ্যপালের কাছে শুভেন্দু, পুজো পর্যন্ত রাজ্যে থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী?

আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের নিয়ে রাজ্যপালের কাছে শুভেন্দু, পুজো পর্যন্ত রাজ্যে থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী?

সিভি আনন্দ বোস বাংলা বক্তৃতা রাখলেন যাতে গ্রাম-শহর নির্বিশেষে সমস্ত বিজেপি কর্মীদের বুঝতে সুবিধা হয়। রাজ্যপাল বলেন, “নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বেশ কিছু অশান্তির ঘটনা ঘটেছে। আমি চুপ করে বসে থাকব না। আমার সঙ্গে কেউ দেখা করতে এলে তাঁদের আটকানো উচিত নয়। আমরা বাংলাকে হিংসামুক্ত করব। আমি নেতাজি, রবীন্দ্রনাথ, স্বামী বিবেকানন্দের নামে শপথ করে বলছি, শেষ পর্যন্ত লড়াই করব।”

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

বিজ্ঞাপন

আরও খবর