অর্ক সানাঃ ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুরে লড়বেন শুভেন্দু অধিকারী। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামের পাশাপাশি বিজেপি নেতা তথা পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী লড়বেন মমতা বন্দোপাধ্যায়ের কেন্দ্রেও। দিল্লি সূত্রের খবর অনুযায়ী, আগামী বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপিকে রাজ্যের ক্ষমতায় আনার লক্ষ্যে তিনি অমিত শাহের ডেপুটি হিসেবে বাংলা জুড়ে দলের প্রচারের দায়িত্ব সামলাবেন।
নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে শুভেন্দু অধিকারী ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ১৯৫৬ ভোটে পরাজিত করেছিলেন। ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই কেন্দ্রে বিজেপি ৮২০০ ভোটে এগিয়ে রয়েছে।

কিছুদিন ধরেই রাজনৈতিক মহলে জল্পনা চলছিল যে, ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন শুভেন্দু অধিকারী। আজ দিল্লির সূত্র সেই জল্পনাতেই শিলমোহর দিল। তবে রাজ্য বিজেপি বা শুভেন্দু অধিকারীর পক্ষ থেকে এই বিষয়ে কিছুই জানানো হয়নি। কিন্তু নজরবন্দির-র যে সূত্র এই খবর দিয়েছে, সেই সূত্রের খবর ফেল করার সম্ভাবনা অত্যন্ত ক্ষীণ। কাজেই ধরে নেওয়া যায় ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ফের মুখোমুখি লড়াইয়ে দেখা যাবে শুভেন্দু বনাম মমতা-কে।
২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুরে লড়বেন শুভেন্দু অধিকারী! শাহি দরবারে কথা পাকা

বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী: বিজেপি সূত্রে খবর, ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারীকেই মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী করে ভোটে নামবে বিজেপি। ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল অনুযায়ী, বিজেপি পশ্চিমবঙ্গের ৯০টি বিধানসভা আসনে এগিয়ে রয়েছে, যেখানে রাজ্যের ক্ষমতায় আসতে প্রয়োজন ১৪৮টি আসন। তাই এখন থেকেই পুরো শক্তি নিয়ে প্রচারে নামছে বিজেপি।
বিজেপির ২০২৬ নির্বাচনী কৌশল: বিজেপি এবার রাজ্যে নিজেদের শক্তি আরও মজবুত করতে চাইছে। দলীয় সূত্রের খবর, আগামী নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসকে হারানোর জন্য বিশেষ প্রচার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী, দিলীপ ঘোষ, সুকান্ত মজুমদার, অমিত মালব্য-সহ কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব রাজ্যজুড়ে দলীয় প্রচার চালাবেন।
২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির মূল লক্ষ্য তৃণমূল কংগ্রেসকে পরাস্ত করে রাজ্যে ক্ষমতা দখল করা। শুভেন্দু অধিকারী এবারের নির্বাচনে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মমতা বন্দোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে, তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকবে নির্বাচনে। বিজেপির কৌশল অনুযায়ী, তিনি রাজ্যজুড়ে প্রচারের নেতৃত্ব দেবেন এবং নির্বাচনে জয়ী হলে মুখ্যমন্ত্রী করা হবে তাকেই।



