নজরবন্দি ব্যুরোঃ বেশ কিছুদিন হয়ে গেল দলত্যাগ করে বিজেপিতে যোগদান করেছেন নন্দিগ্রামের প্রাক্তন বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। এদিকে বিধানসভা ভোট আসন্ন। জুজুধান বিজেপি তৃণমূলের মধ্যে চলছে কথার লড়াই। তারই মাঝে আচমকা জুট কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান পদ থেকে আচমকা ইস্তফা দিলেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী! কিন্তু কেন? মাত্র দুমাস আগেই তো চেয়ারম্যান হলেন তিনি। শেষে বামপক্ষই সহায়ক BJP-র? সূত্রের খবর, অক্সিজেন জোগাচ্ছে আব্বাসের ISF, নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিজেপির প্রার্থী হচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী!
আরও পড়ুনঃ গেরুয়া রাজীবের বিধায়ক অফিস দখল নিল তৃণমূল


শেষে বামপক্ষই সহায়ক BJP-র? ২১ এর নির্বাচনে ঘুরে দাঁড়াতে একদিকে বামপক্ষ কংগ্রেস এবং ফুরফুরা শরীফের পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকী তথা তাঁর নতুন দল ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টের সাথে জোট বেঁধেছে। জোট মিটতেই সংখ্যালঘু ভোট কে পাখির চোখ করে ৫ দশকের আসন হেলায় আব্বাসের দলকে ছেড়ে দিয়েছে বামেরা। আসনটি হল নন্দীগ্রাম। আর সেই ঘোষণার সপ্তাহ গড়ানোর আগেই জানা গেল নন্দীগ্রাম আসনে বিজেপি প্রার্থী হচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী।
শুভেন্দুর ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে খবর, তিনি নন্দীগ্রাম থেকে বিজেপির টিকিটে প্রার্থী হচ্ছেন। সূত্রের দাবি, বিজেপি (BJP) সরকারিভাবে তাঁর প্রার্থী হওয়ার কথা ঘোষণা না করলেও, তিনি যে নিজের পুরনো কেন্দ্র নন্দীগ্রাম থেকেই ভোটের ময়দানে নামতে চলেছেন, তা নিশ্চিত। শুভেন্দু অনুগামী সূত্র জানাচ্ছে, নন্দীগ্রাম কেন্দ্র থেকে মনোনয়ন দেওয়ার প্রক্রিয়াও শুরু করে দিয়েছেন তিনি। সূত্রের দাবি আব্বাস কে বামেরা নন্দীগ্রাম ছাড়তেই অঙ্ক কষতে শুরু করে বিজেপি। গতকাল বিজেপি রাজ্য সভাপতির মুখে আচমকাই আব্বাস এবং মিমের বাংলায় তাঁর মতোই সমানঅধিকার একথা বলতে শোনা গিয়েছিল।
উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে নন্দীগ্রামের সভা থেকে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন যে তিনি নন্দীগ্রাম থেকে প্রার্থী হবেন। ভোটের আগে এটা একটা মাস্টারস্ট্রোক বলেই মনে করেছে রাজনৈতিক মহল। তাঁর এহেন মন্তব্যে গেরুয়া শিবির কিছুটা ঘাবড়েছে বলেই ধারণা বিশিষ্ট মহলের। এরপরেই শুভেন্দু অধিকারী টুইট করে হিন্দিতে লেখেন, ‘স্বাগতম দিদি। ২১ বছর সঙ্গে ছিলাম এবার নন্দীগ্রামে সামনাসামনি দেখা হবে।’ প্রশ্ন উঠছে সত্যিই কথা রেখে শুভেন্দু এককালের নেত্রীকে হারাতে পারবেন তো হাফ লাখ ভোটে?









