নজরবন্দি ব্যুরো: রাজ্য নির্বাচন কমিশনের অফিসে আচমকাই আগমন হল শুভেন্দু অধিকারীর। শুক্রবার তিন বিধায়ককে নিয়ে কমিশনের অফিসে ঢোকেন তিনি। কী কারণে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা হঠাৎ এসেছেন তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে মনে করা হচ্ছে রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহার সঙ্গে একাধিক বিষয়ে জরুরী আলোচনায় বসতে পারেন শুভেন্দু।
আরও পড়ুন: কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে এবার পালটা চাপে কেন্দ্র! ফের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে চিঠি কমিশনের
শুক্রবার নির্বাচন কমিশনের অফিসে আসেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিজেপির তিন বিধায়ক ও সত্যেন রায়, মনোজ টিগ্গা ও সুশীল বর্মণ। সূত্রে খবর, অনুমান করা হচ্ছে সঞ্জয় বনশলকে নির্বাচন কমিশনে যে বাড়তি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সেই বিষয়ে কমিশনারের সঙ্গে কথা বলতে পারেন শুভেন্দু। এছাড়া পঞ্চায়েতে ভোটের মনোনয়ন পর্বে রাজ্যজুড়ে যে অশান্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছে সেগুলিও আলোচনার বিষয় হয়ে উঠতে পারে। নবনিযুক্ত রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহার সঙ্গে আলোচনায় বসতে পারেন শুভেন্দু অধিকারী, এনিয়েই নানা জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

বর্তমানে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সচিব পদে রয়েছেন নীলাঞ্জন সান্ডিল্য। পঞ্চায়েত ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর নির্বাচন কমিশনারকে সাহায্য করতে বাড়তি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অভিজ্ঞ আমলা সঞ্জয় বনসলকে। তিনি এখন অনগ্রসর শ্রেণি ও সমাজ কল্যাণ দফতরের সচিব পদের দায়িত্ব সামলাছেন। একাংশের দাবি, সঞ্জয় বনশলকে এইভাবে দায়িত্ব দেওয়া অবৈধ। এই বিষয়টিই কমিশনারের সামনে উত্থাপন করতে পারেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু।

উল্লেখ্য, পঞ্চায়েত ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী। মনোনয়ন পর্বে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় অশান্তির খবর সামনে আসে। তার প্রেক্ষিতেই গোটা রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করানোর নির্দেশ দেন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম। হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যায় কমিশন। সেখানেও ধাক্কা খায় রাজ্য নির্বাচন কমিশন। কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করানোর নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালতও।
হঠাৎ কমিশনের অফিসে Suvendu Adhikari, কমিশনারের সঙ্গে জরুরী আলোচনা?




