নজরবন্দি ব্যুরোঃ ৬ মাস CPM থেকে সাসপেন্ড অজন্তা, চলতি মাসের ২১ তারিখেই সিপিএম এর বৈঠকে ঠিক হয়ে গিয়েছিল তা। এবার ভুল ধরিয়ে লম্বা লিস্ট বানিয়ে আজ তা পৌঁছাল অনীল কন্যার ঘরে। ২৮ থেকে ৩০ শে জুলাই পর্যন্ত তৃণমূলের মুখপত্র ‘ জাগো বাংলা’ তে উত্তর সম্পাদকীয় পর্ব লিখেছিলেন অজন্তা।
আরও পড়ুনঃ ১ মাসেই বাজিমাত মমতার ‘উৎসশ্রী’র, ঘরের কাছাকাছি বদলি হল ২০০০ শিক্ষকের


আর তার পর থেকেই বিক্ষোভ-সিদ্ধান্ত পক্ষের-বিপক্ষের যুক্তি নিয়ে ইতিমধ্যে তোলপাড় হয়েছে বাংলার রাজনৈতিক মহল। ২৮ তারিখের প্রথম কিস্তি প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই শুরু হয়েছিল বিতর্কের ঝড়। আর শেষ দিনে মমতার প্রশংসা করে লেখনী শেষ করার পর ঘি পড়েছিল আগুনে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা সিঙ্গুর প্রসঙ্গ সব নিয়েই জোর চর্চা চলেছিল সিপিএম এর ভেতরে
অনীল কন্যার যুক্তিতে খুশি নয় আলিমুদ্দিন, ৬ মাস CPM থেকে সাসপেন্ড অজন্তা।

কেউ কেউ বলেছিলেন বাম নেতার কন্যা হয়ে তৃণমূলের মুখপত্রে কেন লিখলেন অজন্তা? কেউ কেউ উত্তরে বলেছিলেন লেখিকা অধ্যাপিকার দৃষ্টি থেকে লিখেছেন অনীল কন্যা, রাজনৈতিক রঙ খোঁজা অহেতুক। এরিয়া কমিটি থেকে শো কজ করা হলে অজন্তার দায়সারা জবাবে আরও তেতেফুঁড়ে উঠেছিল এক পক্ষ।
পরে অজন্তা জানিয়েছিলেন তাঁর এই আচরণে যদি দলের কেউ দুঃখ পেয়ে থাকেন, তাহলে তিনি দুঃখিত। তবে বরফ গলেই। ২২ তারিখে মিটিং করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল ৬ মাসের জন্য দল থেকে সাসপেন্ড করার কথা। তার পরে বেশ কিছুদিন কেটেছে।



অজন্তার ভুল কোথায় আর সেগুলি কী সেস চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে লম্বা চিঠি গিয়ে পৌঁছেছে অধ্যাপিকার ঘরে। সূত্রের খবর চিঠিতে জানানো হয়েছে বিরোধী দলের হয়ে কলম ধরা থেকে নিজের দলের অবস্থানের উল্টো পথে হেঁটে মমতার প্রশংসা বা সিঙ্গুর আন্দলোন নিয়ে লেখা, কনোটাই সমর্থন করেনা সিপিএম।
এর আগেই সিপিএমের কলকাতা জেলা কমিটির সম্পাদক কল্লোল মজুমদার অজন্তার এ হেন তৃণমূলের মুখপত্রে লেখা কে খারাপ কাজ বলে উল্লেখ করেছিলেন। তার পরেই উচ্চ স্তরের বৈঠকে এসেছিল সাসপেন্ডের সিদ্ধান্ত। ভুলের তালিকা এবং কারণ দর্শানো সেই সাসপেন্ডের চিঠি পৌঁছেছে অনীল কন্যার ঘরে।
সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে
Google News এবং Google Discover-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।



