নজরবন্দি ব্যুরোঃ শিলচরের প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদকে রাজ্যসভায় পাঠাচ্ছেন বাংলার বিধায়করা। বিনা প্রতিদ্বন্দীতায় তৃণমূল কংগ্রেসের হয় রাজ্যসভার সাংসদ হতে চলেহেন সুস্মিতা দেব। আজ বিকেলে জমা দিলেন মনোনয়ন পত্র। দিন কয়েক আগেই কংগ্রেসের হত চ্ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন সুস্মিতা দেব।
আরও পড়ুনঃ একে বর্ষা তাতে দোসর টর্নেডো, সাগরদ্বীপে অল্পের জন্য রক্ষা পেল কপিল মুনির মন্দির
ত্রিপুরা বিজয়ের লড়াইয়ে এই মূহুর্তে তৃণমূল কংগ্রসের তুরুপের তাস তিনি। সেই সুস্মিতাকেই মানস এর জায়গায় রাজ্য সভায় পাঠাচ্ছে মমতার দল। এতদিন জল্পনা ছিল বিজেপি প্রার্থী কে হবেন সুস্মিতার বিপরীতে। আজ রাজ্যের বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারী জানিয়ে দিয়েছেন এই মূহুর্তে তাঁদের লক্ষ্য ভবানীপুরেও মমতাকে হারানো।আর সেই কারণেই সুস্মিতার বিপরীতে প্রার্থী দিচ্ছেন না তাঁরা।
এর আগে দীনেশ ত্রিবেদির আসনের ভোটের সময়েও প্রার্থী দেয়নি বিজেপি। আজ সাতসকালে ট্যুইট করে শুভেন্দু জানিয়ে দেন, ‘বিজেপি রাজ্যসভার জন্য এ রাজ্য থেকে কোনও প্রার্থী দেবে না। ভোটের ফলাফল পূর্ব নির্ধারিত। বরং আমাদের লক্ষ্য এখন একজন হেরে যাওয়া মুখ্যমন্ত্রীকে আবারও হারানো। জয় মা কালী।’
প্রার্থী দেয়নি বিজেপি, বিনা প্রতিদ্বন্দীতায় রাজ্যসভায় প্রবেশ সুস্মিতার।

অর্থাৎ এক প্রকার বিনা প্রতিদ্বন্দীতায় রাজ্য সভায় যাচ্ছেন তিনি। আজ মনোনয়ন জমা দিতে গিয়ে উচ্ছসিত সুস্মিতা দেব বলেন, “এটা ভেবেই দারুণ লাগছে যে আমি অসমের বাসিন্দা, আর আমাকে দিল্লিতে সাংসদ করে পাঠাচ্ছেন বাংলার বিধায়করা। দিদি-অভিষেক সহ গোটা তৃণমূল পরিবার আমাকে কাজ করার সুযোগ দিয়েছে। আমি সেই সুযোগ কাজে লাগাতে চাই।”
মনোনয়ন পেশ পর্বে সুস্মিতার সঙ্গী ছিলেন ছিলেন বিধানসভার মুখ্য সচেতক নির্মল ঘোষ ও উপ মুখ্য সচেতক তাপস রায়। তৃণমূলে আসার পর থেকেই দলের হয়ে প্রচার করেছেন তিনি, ইতিমধ্যে ত্রিপুরার রাস্তায়ও দেখা গিয়েছে তাঁকে। আজ ফের বলেন, “ত্রিপুরায় আমার লড়াই। প্রথম নজর আমাদের ত্রিপুরাই।’ সঙ্গেই বলেন, ‘বিপ্লব দেবের সরকার ও পুলিশকে এক্সপোজ করতে চাই। কেন বারবার বাধা দিচ্ছে তাই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছি৷’



