নজরবন্দি ব্যুরো: ‘ঘুষ নিয়ে প্রশ্ন’ বিতর্কে লোকসভায় খারিজ হয়ে গেল মহুয়া মৈত্রর সাংসদ পদ। ৪৯৫ পাতার রিপোর্ট পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তাল রাজনৈতিক মহল। মহুয়া মৈত্রর বহিষ্কার প্রসঙ্গে ঠিক কী বললেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার?
আরও পড়ুন: মা কালীর কোপেই খারিজ মহুয়ার সাংসদ পদ, মন্তব্য শুভেন্দুর


সামাজিক মাধ্যমে সুকান্ত মজুমদার লিখেছেন, “আজ যখন ঘুষের বদলে প্রশ্ন কাণ্ডে মহুয়া মৈত্রের সাংসদ পদ খারিজ হলো এবং তিনি বহিষ্কৃত হলেন, তখন বিরোধীরা সংসদ ভবন ছেড়ে বেরিয়ে যান… তখন আডবাণীজী এর ২০০৫ এর একটি বক্তব্য আমার মনে পরে গেলো, সংসদ ভবনের পবিত্রতা অক্ষুণ্য রাখার স্বার্থে সরকার যে সিদ্ধান্ত নেবে, আমরা তার প্রতিবাদ করবো না…সেই কারনেই ভারতীয় জনতা পার্টি সবার থেকে আলাদা…”

অন্যদিকে, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী আরও এক কদম এগিয়ে মহুয়া মৈত্রর কর্মফলকে চিহ্নিত করেছেন। প্রসঙ্গত, কয়েক মাস আগে একট সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে মহুয়া মা কালী সম্পর্কে বলেছিলেন, কালী মা মদ সিগারেট খান! তখনও তাঁর এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে শোরগোল সৃষ্টি হয় রাজনৈতিক মহলে।



আর আজ মহুয়ার সাংসদ পদ খারিজের পর নিজের এক্স (ট্যুইটারের বর্তমান নাম) হ্যান্ডেলে শুভেন্দু অধিকারী একটি ভিডিও পোস্ট করে লেখেন, “নিজের সীমাবদ্ধতাকে বোঝার চেষ্টা করুন। ঈশ্বরের নাম উল্লেখ করার সময় অপমানজনক শব্দ ব্যবহার করবেন না। তাঁকে ছোট করার ক্ষমতা আপনার নেই, কিন্তু সে রেগে গেলে আপনাকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দিতে পারে। জয় মা কালী।”
লোকসভা থেকে বহিষ্কৃত Mohua Moitra, কী বলছেন Sukanta Majumdar?

মহুয়া মৈত্রকে বহিষ্কারের পর লোকসভায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন ‘ইন্ডিয়া’ জোটের নেতারা। তাঁরা সদন থেকে ওয়াক আউট করে গান্ধীমূর্তির সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। চাঁচাছোলা ভাষায় বিজেপিকে আক্রমণ করেন মহুয়া নিজে। তাঁর মতে, “একতরফাভাবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আমি টাকা বা উপহার নিয়েছি তার কোনও প্রমাণ নেই। মোদী সরকারের নারীবিদ্বেষী মনোভাব। আগামী ৩০ বছর সংসদের ভিতরে বাইরে লড়াই করে যাব।”







