নজরবন্দি ব্যুরো: ইডির দ্বিতীয় দফার তলব সত্ত্বেও আজ, বুধবার হাজিরা এড়িয়ে পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে আসন্ন পঞ্চায়েত ভোটের প্রচারে অংশ নিয়েছেন তৃণমূলের যুবনেত্রী তথা অভিনেত্রী সায়নী ঘোষ। তবে, হাজিরা এড়ালেও মঙ্গলবার ইডিকে মেইল করে ‘যেতে পারছি না’ জানানোর পাশাপাশি ইডির নির্দেশ মতো ৫৩০ পাতার নিজের আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত নথি তিনি সিজিও কমপ্লেক্সে পাঠিয়েছে। এবার সায়নীর হাজিরা এড়ানোর প্রসঙ্গে তাঁকে কটাক্ষ করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তাঁর বক্তব্য, প্রচারে গিয়ে ‘চোর চোর’ শুনতে হলে আমাদের (পড়ুন বিজেপি) খারাপ লাগবে।
আরও পড়ুন: দুই কর্মসূচি, নম্বর এক! এবার ‘সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী’-র বিরুদ্ধে আদালতে মামলা ঠুকলেন শুভেন্দু


পঞ্চায়েত ভোটের আগে তিন দিন সময়। শেষবেলায় জোর কদমে প্রচার চালাচ্ছেন সব রাজনৈতিক দলের নেতানেত্রীরা। সেই রকমই নিজের লোকসভা কেন্দ্র বালুরঘাটের একাধিক জায়গায় বিগত দু’দিন ধরে প্রচার করছেন সুকান্ত মজুমদার। আজ নির্বাচনী প্রচার সেরে দক্ষিণ দিনাজপুরের বিজেপি পার্টি অফিসে বসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন সুকান্ত। আর সেখানেই সায়নী ঘোষের হাজিরা এড়িয়ে প্রচারে যাওয়া প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন, ‘সায়নী এখন প্রচারে যাচ্ছেন, সেখানে গিয়ে যদি চোর চোর শোনেন তাহলে আমাদের খারাপ লাগবে। প্রচারে না গিয়ে ওনার ইডির কাছে গেলে ভালো হত। এত ভালো অভিনেত্রী এখন মানুষের সামনে গিয়ে আজেবাজে কথা শুনলে সেটা আমাদের খারাপই লাগবে। নিজেদের সংবিধানের ওপরে মনে করছে। এবার ইডি ব্যবস্থা নেবে। এবার সিবিআই বা ইডি ওনাকে গ্রেফতার করবে না করবে না সেটা তাঁদের ব্যাপার’।

প্রসঙ্গত, গত ৩০ জুন সায়নী ঘোষকে সিজিও কমপ্লেক্সে নিজেদের দফতরে টানা প্রায় ১১ ঘন্টা জেরা করে ইডি। মূলত শিক্ষা নিয়োগ দুর্নীতি তদন্তে ধৃত কুন্তল ঘোষকে জেরা করতে গিয়েই সায়নীর নাম উঠে আসে। সূত্রের খবর, কুন্তলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে নিয়োগ দুর্নীতির ৬.৫ কোটি টাকা সরানো হয়েছিল। আর সেই টাকার একটি অংশ তৃণমূল যুবনেত্রীর কাছেও গিয়েছিল বলে ইডির দাবি। ইতিমধ্যেই নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জেলে গিয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, পর্ষদের সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য।


প্রচারে গিয়ে ‘চোর চোর’ শুনতে হলে আমাদের খারাপ লাগবে, সায়নীকে খোঁচা সুকান্তের!








