লোকসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগেই দেশজুড়ে ভোটের আবহ। এই নির্বাচনে সিএএ-কে (CAA) কার্যত হাতিয়ার করতে চেয়েছে বিজেপি। বিগত কিছু সময় ধরে নাগরিকত্ব আইন নিয়ে কথা তুলছিল বিজেপির নেতারাই। এসবের মধ্যেই সোমবার বড় ঘোষণা করে দিল কেন্দ্রীয় সরকার। একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে আনুষ্ঠানিকভাবে সিএএ চালু হওয়ার কথা জানাল কেন্দ্র। এই ঘোষণার পর থেকেই জেলায় জেলায় উচ্ছ্বাস শুরু হয়েছে। বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) নিজের জেলায় দলের কর্মীদের সঙ্গে আনন্দ উৎসবে যোগ দিলেন।



আরও পড়ুন: দেশব্যাপী কার্যকর CAA, বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হতেই উৎসবের মেজাজ মতুয়াগড়ে
বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাট সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) সোমবার বিকেলে দক্ষিণ দিনাজপুরে জেলা বিজেপি অফিসে কর্মীদের সাথে আনন্দ উৎসবে মেতে ওঠেন। সিএএ নিয়ে তিনি বলেন, ‘আগেই বলা হয়েছিল সিএএ চালু করা হবে। বাংলাদেশ থেকে ধর্মীয় কারণে যারা এখানে আসতে বাধ্য হয়েছেন তাঁদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। কারও নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া হবে না। মুখ্যমন্ত্রী নিজেও জানেন কেন করা হয়েছে। তবে উনি মানুষকে ভুল বুঝিয়ে উস্কানি দেওয়ার চেষ্টা করছেন।’

সোমবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। ছটি পয়েন্ট দিয়ে সিএএ কেন কার্যকর হচ্ছে, এই আইন নিয়ে ভুল ধারণা এবং কেন এত দেরি হল- এই বিষয়গুলি স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ভারতের ৩টি প্রতিবেশী দেশ (পাকিস্তান, বাংলাদেশ, আফগানিস্তান) থেকে ধর্মীয় কারণে নির্যাতিত হয়ে যারা ভারতে এসেছেন এবং ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগে ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন যে উদ্বাস্তুরা, তাদের ভারতীয় নাগরিকত্বের অধিকার দেওয়ার আইন হল নাগরিকত্ব (সংশোধনী) আইন, ২০১৯। হিন্দু, বৌদ্ধ, পার্সি, খ্রিস্টান, শিখ, জৈন– এই ছয় সম্প্রদায়ের মানুষদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।


CAA নিয়ে জেলায় জেলায় উচ্ছ্বাস, বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে উৎসবের মেজাজে সুকান্ত

বিল পাশ হওয়ার চার বছর পর সিএএ কার্যকর করা হল। কীভাবে আবেদন করা যাবে, কাড়া আবেদন করতে পারবেন, জেনে নিন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, অনলাইন পদ্ধতিতে সম্পূর্ণ আবেদন প্রক্রিয়া হবে। ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগে হিন্দু, বৌদ্ধ, পার্সি, খ্রিস্টান, শিখ, জৈন সম্প্রদায়ের মানুষরা পাকিস্তান, বাংলাদেশ, আফগানিস্তান থেকে এসেছেন এবং তাঁদের মধ্যে যারা পাঁচ বছর ভারতে ছিলেন সকলকে নাগরিকত্ব দেওয়া হয়েছে।







