নজরবন্দি ব্যুরোঃ শিক্ষক দুর্নীতিতে মুখ পুড়েছে রাজ্যের শাসক দলের। ইডির হেফাজতে রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। প্রতি মুহুর্তে পেঁয়াজের খোসার মতো বের হচ্ছে দুর্নীতি। শুক্রবারের পর গতকালও পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে ২৭ কোটি টাকা এবং বিপুল পরিমাণ সোনা এবং অন্যান্য সম্পত্তি। তা নিয়ে ক্রমাগত শাসক দলের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়ে যাচ্ছেন বিরোধী দলগুলি। ফের একবার মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করে একহাত নিলেন সিপি(আই)এম নেতা সুজন চক্রবর্তী।
আরও পড়ুনঃ SSC: এসএসসি চাকরীপ্রার্থীদের সঙ্গে বৈঠক করবেন, হাল ধরতে মাঠে নামলেন অভিষেক


তিনি বলেন, ২০ কোটি টাকা কি কোনও ইনকামের টাকা? ২৭ থেকে ২৮ কোটি টাকা কোনও ইনকামের টাকা। টালিগঞ্জের চাইতে বেলঘড়িয়া বেশী। বেলঘড়িয়ার চাইতে বীরভূম বেশী। বীরভূমের চাইতে আসানসোল বেশী। সমত গুলোকে ছাড়িয়ে ঘাট ঘুরতে ঘুরতে তো কালীঘাট? শয়ে শয়ে কোটি। এটা বোঝা গেল পার্থ চট্টোপাধ্যায় নাকি অর্পিতা মুখ্যোপাধ্যায়ের নাম বলা হচ্ছে তিনি জানতেন না।

মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়ে সুজন চক্রবর্তীর কটাক্ষ, মুখ্যমন্ত্রী জানতেন না? পুলিশ মন্ত্রী জানতেন না? পুলিশের অফিসাররা জানতেন না? সকলের নবাকের ডগায়। এই টাকার ভাগ কালীঘাটে যেত না? কালীঘাটের সঙ্গে ভাগাভাগি। জানে না কেউ? গোটা বাংলাটাকে পচিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এখন সকলে ফাঁক কেটে বের হওয়ার চেষ্টা করছে। এখন বলছে আমি জানিনা পার্থ। পার্থ বলবে আমি জানিনা ভাইপো। একেবারে মাথা অবধি যেতে হবে।
যে বিপুল পরিমাণ টাকা উদ্ধার হয়েছে, তাতে কী শুধুমাত্র স্কুল সার্ভিস কমিশনের এবং প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের বেনিয়মে চাকরী পাইয়ে দেওয়ার টাকা? এত বিপুল অঙ্কের টাকা, সম্পত্তি এল কীভাবে? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাকের ডগায় কীভাবে এত প্রতিপত্তি বাড়ল পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের? প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীরা।


গোটা বাংলাটাকে পচিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে, মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণে সুজন

গতকালই শহরের তিন দিক থেকে মিছিল করে আন্দোলনরত হবু শিক্ষকদের সঙ্গে সেখা করেন বাম প্রতিনিধি দল। সেখানেও এই গোটা দুর্নীতিচক্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করতে বিন্দুমাত্র পিছপা হননি বাম নেতারা। সেই রাতেই অর্পিতা মুখ্যোপাধ্যায়ের বেলঘড়িয়ার ফ্ল্যাট থেকে টাকা উদ্ধার হতেই আক্রমণ শানালেন সুজন চক্রবর্তী।







