শুক্রবার রাত্রিতে তরুনী চিকিৎসকের মৃত্যুর পর থেকেই প্রিন্সিপালের পদত্যাগন সহ পাঁচ দফার দাবি তুলে বিক্ষোভ করে আরজিকরের জুনিয়র ডাক্তার ও ইন্টার্ন পড়ুয়ারা। এরপরই সোমবার পদত্যাগ করলেন আরজিকরের প্রিন্সিপাল সন্দ্বীপ ঘোষ। তাঁর পরেও থামছে না এই বিক্ষোভ। সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে আন্দোলনকারীরা দাবি করেন ছয় দফা দাবি মেনে নেওয়ার পরেই উঠবে তাঁদের এই আন্দোলন। এদিকে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে চিকিৎসা করাতে আসা রোগী ও তাঁর পরিবার।
কর্মবিরতি শুরু হবার দিন থেকেই কার্যত সমস্যার মুখে পড়তে হয় আরজি করে চিকিৎসা করাতে আসা রোগী ও তাঁর আত্মীয়কে। আর সোমবারও বদলালনা সেই ছবি। এদিন সকাল থেকেই বন্ধ আউট ডরের দরজা। যার ফলে চিকিৎসা করাতে এসে ফের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় একাধিক জেলা থেকে শুরু করে ভিন-রাজ্য থেকে আসা রোগীদের। এদিন তাঁদের জানিয়ে আউট ডোর বন্ধ থাকার কথা জানিয়ে দেয় গেটে থাকা সিকিউরিটি। এদিকে অনেক দূর থেকে এসে ফের ফিরে যেতে হবে জেনে উত্তপ্ত হয়ে পরে বেশ কিছু রোগীর পরিবার। ফলে তাঁদের সাথে বচসা বাঁধে হাসপাতালের আউটডোরে থাকা সিকিউরিটিদের সাথে।


শুধু তাই নয়, রোগী ভোগান্তির একই ছবি ধরা পরে এনআরএস সহ কলকাতা মেডিক্যাল কলেজেও। পাশাপাশি আজ আর জি করের ঘটনায় আজ থেকে দেশজুড়ে কর্মবিরতির ডাক চিকিৎসকদের। ফলে দেশজুড়ে ব্যাহত হতে চলেছে চিকিৎসা পরিষেবা। এবার চিকিৎসক খুনে সরব ফেডারেশন অফ রেসিডেন্ট ডক্টর্স অ্যাসোসিয়েশন(এফওআরডিএ)। কর্মবিরতির ডাক দিল্লির AIIMS এবং NIMHANS-এও। পাশাপাশি ধর্মঘটের ডাক উত্তরপ্রদেশ, পাঞ্জাব ও জম্মুর আবাসিক চিকিৎসকদের। ফলে এবার দেশ জুড়ে সমস্যায় পড়তে চলেছে মানুষ।








