‘আমি এর শেষ দেখে ছাড়বো’, টলিপাড়ায় ‘থ্রেট কালচার’ নিয়ে সরব অভিনেত্রী সুদিপ্তা, ইমনরা

'আমি এর শেষ দেখে ছাড়বো' টলিপাড়ায় 'থ্রেট কালচার' নিয়ে সরব অভিনেত্রী সুদিপ্তা, ইমনরা। আমি এর শেষ দেখে ছাড়বো তনু,কথা দিলাম দাবি সুদিপ্তার।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক
আরজি কর এক মহিলা চিকিৎসকের খুন ও ধর্ষণের ঘটনায় হয় গোটা রাজ্য থেকে দেশ। বিচারের দাবিতে পথে নেমেছে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে বিশিষ্টজনেরা। বর্তমানে এখনও থামছে না তার রেস। তবে এর আবহে একের পর এক নারী নির্যাতনের ঘটনা সামনে আসছে। আর সেই তালিকা থেকে বাদ যায়নি টলি পাড়ার নারী শিল্পী রাও। একের পর এক অভিনেত্রী শ্লীলতা হানির ঘটনা সামনে আসছে। আর এই অভিযোগের মধ্যে এবার কাজ না দেওয়ায় আত্মহত্যা করার চেষ্টা ঘটনা ঘটলো টলিপাড়ায়।

হেয়ার ড্রেসার কে প্রায় তিন মাস কাজ থেকে বিরত রাখা হয়েছিল। যে কারণে বিপুল অঙ্কের দেনায় জর্জরিত হয়ে ওঠেন ওই হেয়ার ড্রেসার। পরে ওই সাসপেনশন তুলে নিলেও তার ওপর একাধিক নিষেধাজ্ঞা জারি করে রাখা হয়। যার ফলে ঠিক মতো কাজ পাচ্ছিলেন না ওই শিল্পী। পুরো ঘটনার অভিযোগ গিল্ডের বিরুদ্ধে যেই গিল্ডের বিরুদ্ধে অন্তর্ভুক্ত ওই হেযার ড্রেসার। মূলত তার দাবি ছিল এবছর গিল্ডের যে ইলেকশন হওয়ার কথা ছিল তা হয়নি বদলে পছন্দের কিছু ব্যক্তিকে বেছে নেওয়া হয়েছে অর্থাৎ একপ্রকার সিলেকশন হয়েছে। যেটার বিরোধিতা করেছিলেন ওই হেয়ার ড্রেসার। আর তারপরে তাকে কর্মহীন হয়ে পড়তে হয়। এরপর দেনায় জর্জরিত হয়ে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আত্মহত্যার চেষ্টা করে ওই তরুণী হেয়ার ড্রেসার।

আর এই ঘটনায় ওই হেয়ার ড্রেসারের পাশে দাঁড়িয়ে সরব হয়েছেন অভিনেত্রী সুদীপ্তা চক্রবর্তী তিনি ফেসবুকে একটি পোস্ট করে তিনি লেখেন,”আমাদের ইন্ডাস্ট্রি র কেশসজ্জা শিল্পী তনুশ্রী দাস (তনু), আমার হাত ধরেই এই ইন্ডাস্ট্রি তে যার আসা, এই মুহূর্তে হাসপাতালের ইমারজেন্সি তে শুয়ে। ‘সুইসাইড নোট’ লিখে রেখে গায়ে কেরোসিন তেল ঢেলে নিজেকে শেষ করে দিতে চেয়েছিল। কোনরকমে ঠেকানো গেছে। ওকে বাঁচানো গেছে। চিকিৎসা চলছে।সন্ধ্যেবেলা মেসেজ করে আমার সাহায্য চেয়েছিল। ক্লাসে ছিলাম। সময়মত উত্তর দিতে পারিনি। নিজেকে ক্ষমা করতে পারছি না। কর্মক্ষেত্রে হেনস্থা কোন পর্যা য়ে যেতে পারে, তার জ্বলন্ত উদাহরণ এই মুহূর্তে আমার চোখের সামনে। আমি এর শেষ দেখে ছাড়বো তনু,কথা দিলাম।”

পড়ে তার ওই পোষ্ট শেয়ার করে সংগীত শিল্পী ইমন চক্রবর্তী ফেসবুকে লেখেন,”সুদীপ্তা চক্রবর্তী দির ওয়াল থেকে জানতে পারলাম। এটা কি শুরু হয়েছে? এদের সঙ্গে সর্বক্ষণ থাকি, কাজ করি, আমাদের পরিবার এরা। যে বা যাদের জন্য এই অবস্থা তাদের শাস্তি দিতেই হবে। এ ছাড়া যাবেনা। একজন কোনো রকমে বেঁচেছে এরপর কিন্তু আর আটকানো যাবে না। এই অন্যায় চলতে পারে না।”

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত