উডবার্ন ভায়া প্রেসিডেন্সী হয়ে ‘শোভন-শাখী’র পর ফিরছেন সুস্থ সুব্রত, রইলেন শুধু মদন।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ উডবার্ন ভায়া প্রেসিডেন্সী হয়ে ‘শোভন-শাখী’র পর ফিরছেন সুস্থ সুব্রত মুখোপাধ্যায়। কিন্তু এখনও চিকিৎসাধীন মদন মিত্র। ১৭ই মে নারদ কান্ডে বিনা নোটিসে আচমকা CBI তুলে নিয়ে আসে ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধায়, শোভন চট্টোপাধায় এবং মদন মিত্রকে। নিজাম প্যালেসে এনে তাঁদের হাতে দেওয়া হয় অ্যারেস্ট মেমো। সোমবার জামিন হওয়ার পরেও স্থগিতাদেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। তার পরেই প্রেসিডেন্সি জেলে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল রাজ্যের ৪ হেভিওয়েট নেতা মন্ত্রীকেই। এখন তাঁরা হাউস অ্যারেস্টে রয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ এবার কুস্তীগির সুশীল কুমারকে চাকরি থেকে সাসপেন্ড করল রেল।

শারীরিক অসুস্থতার কারণে ফিরহাদ হাকিম ছাড়া একে একে সকলেই ভর্তি হয়েছিলেন SSKM এর উডবার্নে। জ্বর আসলেও ফিরহাদ হাকিম থেকে যান প্রেসিডেন্সি জেলেই। পরে সেখান থেকেই বাড়ি ফেরেন তিনি। হাউস অ্যারেস্টের খবর পেয়ে দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। ছটফট করতে থাকেন বাড়ি ফেরার জন্যে। অনেক চিঠিপত্র চালান করার পর, রিস্ক বণ্ডে সই করে বৈশাখীর সাথে বাড়ি ফেরেন প্রাক্তন মেয়র। আর আজ সুস্থ হয়ে উডবার্ন ছাড়ছেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়। তিনি সন্ধ্যে বেলা ছাড়া পেয়ে প্রেসিডেন্সী জেল ভায়া বাড়ি ফিরবেন। সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের বয়স এখন ৭৪ বছর।

শোভন সুব্রত ছাড়া পাওয়ার ফলে এখন উডবার্নে থাকছেন একাকি মদন। তাঁর চিকিৎসা চলছে। আশা করা যাচ্ছে তিনিও দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন। এদিকে, ঘুর্নিঝড় ইয়াস এর প্রভাবে আগামী ২৬ ও ২৭ শে মে বন্ধ রাখা হচ্ছে কলকাতা হাইকোর্ট। যার জেরে অন্তত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত পিছিয়ে গেছে নারদা মামলার শুনানি। উচ্চ আদালতের পক্ষ থেকে আজ এক বিজ্ঞপ্তি দিয়ে আদালত বন্ধের কথা জানানো হয়েছে। যার ফলে অন্তত আগামী দুই দিন চার হেভিওয়েটকে পূর্ব নির্দেশ মত থাকতে হবে গৃহবন্দি। মামলার পরবর্তী শুনানি কবে তা জানা যাবে দুদিন পরেই।

অন্যদিকে, বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ‘‘বাড়ির পরিবেশ ওঁকে(শোভন কে) অনেকটা শান্তি দিয়েছে। তিনি টিভি দেখছেন, খাচ্ছেন, খবর দেখছেন। অক্সিজেন, নেবুলাইজার কোনও কিছুরই দরকার পড়েনি। তবে এখনও বুকে অল্প ব্যথা আছে। হাসপাতাল থেকে ১৪ দিনের যে ওষুধ খেতে বলা হয়েছিল সেটা চলছে।”

উল্লেখ্য, বৈশাখী শোভন জুটিকে এদিন নেটপাড়া ‘শোভন-শাখী’ নামে অভিহিত করেছে। শোভনদের পাশাপাশি যশ এবং নুসরত কে ‘যশ-রত’ বলেই উল্লেখ করেছেন নেট-পাড়া্র নাগরিকরা। এই দুই যুগলবন্দির মিল ও অমিলগুলিও উল্লেখ করেছেন। নেটনাগরিকরা মিল হিসেবে বলেছেন, শোভন চট্টোপাধ্যায় বিবাহিত হলেও স্ত্রী রত্নাকে বিচ্ছেদ না দিয়ে থাকেন বিশেষ বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে। অভিনেত্রী নুসরত জাহানও স্বামী নিখিল জৈনকে বিচ্ছেদ না দিয়ে থাকেন বিশেষ বন্ধু যশ দাশগুপ্তর সঙ্গে। অমিল হিসাবে নেটদুনিয়ার বাসিন্দারা বলেছেন শোভন-শাখী সব রাজনৈতিক দলেই একসঙ্গে যান। কিন্তু যশ-রত ভিন্ন দলের সমর্থক।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

আরও পড়ুন