প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ সুয়ারেসের বিরুদ্ধে।

বিজ্ঞাপন
নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরো: প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ সুয়ারেসের। লুইস সুয়ারেসের মতো শীর্ষ ফুটবলারের নামও যে ‘প্রশ্নপত্র’ ফাঁসের সঙ্গে জড়াতে পারে এটা নিশ্চয়ই অনেকের কাছে অসম্ভব মনে হতে পারে। কিন্তু ইতালির শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম ‘লা গাজেত্তা দেল্লো স্পোর্ত’র এক প্রতিবেদনে এমনই চমকে দেওয়া অভিযোগ সামনে এসেছে।

আরও পড়ুনঃ এটিকে-মোহনবাগানে স্কটিশ মিডফ্লিডার ব্র্যাডেন ইনমান।

নতুন কোচ রোনাল্ড কোম্যান আসার পর থেকেই ক্যাম্প ন্যু ছাড়তে চাইছেন লুইস সুয়ারেস। কারণ ডাচ কোচ তাকে জানিয়ে দিয়েছেন, তার পরিকল্পনায় নেই এই উরুগুয়েন স্ট্রাইকার। এজন্য কিছুদিন আগে স্পেন ছেড়ে ইতালির জুভেন্টাসে পাড়ি জমানোর চেষ্টা করেছিলেন তিনি।

ইতালির নাগরিকত্ব অর্জন মানে পাসপোর্টের মালিক হওয়ার চেষ্টা করেছিলেন সুয়ারেস। এইজন্য গত সপ্তাহে ইতালিয়ান ভাষা পরীক্ষায় বসেছিলেন তিনি। পরীক্ষায় তিনি পাশ করেছিলেন ঠিকই, কিন্তু সময়মতো প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে না পারায় তার আবেদন বাতিল হয়ে যায়। এদিকে ইতালিয়ান ভাষা পরীক্ষায় পাশ করলেও এই প্রক্রিয়া নিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ‘মার্কা’ জানিয়েছে, ইতালিয়ান নাগরিকত্ব অর্জনের উদ্দেশ্যে গত ১৭ সেপ্টেম্বর লুইস সুয়ারেস যে ইতালিয়ান ভাষা শিক্ষা পরীক্ষায় অংশ নেন তাতে কিছু অসঙ্গতি ধরা পড়েছে।

ইতালিয়ান কর্তৃপক্ষের দাবি, পরীক্ষার আগে প্রশ্নপত্রের বিষয় সম্পর্কে জানতেন সুয়ারেস। ফলে ইতালিয়ান ভাষা সম্পর্কে স্বল্প জ্ঞান সত্ত্বেও তিনি পরীক্ষায় উতরে গিয়েছেন। এমনকি তদন্তে উঠে এসেছে পরীক্ষার বিষয়বস্তু আগে থেকেই তার সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সাজানো হয়েছিল। শুধু তাই না, পরীক্ষার আগেই প্রাপ্ত নম্বরও ঠিক করে রাখা হয়েছিল। পরীক্ষার আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সঙ্গে অনলাইনে পাঠ নেওয়ার সময়ের কিছু ভিডিও রেকর্ডিং ঘেঁটে এসব তথ্য জেনেছে পুলিশ।

ভিডিও রেকর্ডিং থেকে কিছু বাক্য প্রকাশ করেছে ‘লা গাজেত্তা দেল্লো স্পোর্তস’। সুয়ারেসকে ভাষা শিক্ষার পাঠ দেওয়ার সময় একজন বলেন, ‘সে (সুয়ারেস) প্রতি বছর ১০ মিলিয়ন ইউরো আয় করেন, তাকে অবশ্যই পরীক্ষায় পাশ করতে হবে। ’আরেক জন বলেন, ‘কিন্তু সে যদি ক্রিয়ার সংযোগ না করতে পারে এবং ক্রিয়ার পরিবর্তন না করেই কথা বলে?’ এরপর আরেক জন বলেন, ‘আমাকে বলো তোমাকে কত স্কোর দিতে হবে এবং তা দিতে আমি প্রস্তুত। ‘

অন্য একজন বলেন, ‘সে যদি পাশ না করে, আমি শেষ হয়ে যাব। ’ ‘আমরা তাকে ভালোভাবে প্রস্তুত করেছি, সে পরীক্ষার বিষয়বস্তুর কিছুটা মুখস্ত করেছে,’ ইতালিয়ান সংবাদমাধ্যম কর্তৃক প্রকাশিত অন্য আরেকটি বাক্য এটি।

প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ সুয়ারেসের বিরুদ্ধে। ইতালির পুলিশ এখন সরকারি আধিকারিকদের এই জালিয়াতির প্রমাণ জোগাড়ে পুরোদমে তদন্তের কাজ করছে বলে জানা গিয়েছে।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

বিজ্ঞাপন

আরও খবর