আন্দোলনকারী জুনিয়র চিকিৎসকরা বারবার করে যেখানে থ্রেট কালচারের বিরুদ্ধে সরব হচ্ছেন সেই সময় একই ছবি লক্ষ্য করা গেল মালদা মেডিকেল কলেজ। মালদা মেডিকেলেও থ্রেট কালচারের বিরুদ্ধে সরব জুনিয়র চিকিৎসকরা। কলেজের অধ্যক্ষ ও সুপারকে ঘেরাও করে চলল বিক্ষোভ। আন্দোলনরত জুনিয়র চিকিৎসকদের অভিযোগে তীর তৃণমূল ছাত্র পরিষদের দিকে।
আন্দোলনকারীদের দাবি আগে যখন টিএমসিপি ছাত্রপরিষদ ছিল তখন থ্রেট কালচার চালিয়ে ছাত্রছাত্রীদের একাংশকে চরম নির্যাতন করা হয়েছে। পরীক্ষায় ফেল করানো থেকে শুরু করে হোস্টেলে ঢুকতে না দেওয়া এছাড়াও অন্যান্য শাস্তি দেওয়ার মতো ঘটনার শিকার হতে হয়েছে বলে দাবি জুনিয়র চিকিৎসকদের। তাদের দাবি যে এই কালচার অবিলম্বে বন্ধ করে কলেজের মধ্যে গণতান্ত্রিকভাবে পড়াশুনোর উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। তাই কলেজ অথরিটিকে এ বিষয়ে লিখিত মান্যতা দেওয়ার জন্যই তারা বিক্ষোভ সামিল হয়। যদিও কলেজ অধ্যক্ষর দাবি এ বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ এখনো পাননি। তবে অভিযোগ পেলেও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত নেবেন তিনি।


এদিকে স্বাস্থ্য ভবনের সামনে জুনিয়র চিকিৎসকরা টানা ১১ দিন অবস্থান বিক্ষোভের পরও তারা তাদের শেষ দুই দাবিতে অনড়। আর এই দুই দাবি নিয়ে বুধবার মধ্যরাত পর্যন্ত নবান্নে বৈঠকের পরও কাটল না জট। অভিযোগ বৈঠকে মিনিটস চেয়েছিলেন তারা কিন্তু সেটাও দেননি মুখ্য সচিব শুধু দিয়েছেন মৌখিক আশ্বাস। শেষ দুই দাবি যথাযথ বলে মান্যতা দিলেও লিখিত দিতে আপত্তি সরকারের। সন্ধে ৬টা ৪০ থেকে ২ ঘণ্টা ২০ মিনিটের বৈঠক। থ্রেট কালচার বন্ধ করা থেকে সুরক্ষা। ৩ দফা দাবিতে অনড় ডাক্তাররা। থ্রেট কালচার বন্ধ ও সটুডেন্ট কাউন্সিল চালুর দাবিতে মালদা মেডিক্যালে বিক্ষোভ জুনিয়র ডাক্তারদের।







