বিষধর সাপের কামড় খেয়েও পরীক্ষা কেন্দ্রে ছাত্র, স্তম্ভিত শিক্ষক থেকে চিকিৎসকরা

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষা তাই যেন এই ছাত্রটির কাছে কোন বাধা বাধা নয়। এমনকি সম্ভাব্য মৃত্যুও তাকে আটকাতে পারেনি পরীক্ষা দিতে। কে বাধা দিয়েছিল এই ছাত্রের পরীক্ষা দিতে। শুনলে অবাক হবেন আপনারাও। ছাত্র চন্দ্রকোনা পলাশবাড়ী নিগমানন্দ হাই স্কুলের ছাত্র গৌতম ঘোষ।

আরও পড়ুনঃ অমৃতসরের ঘটনার পুনরাবৃত্তি, এবার জলঙ্গিতে একে অপরকে গুলি চালিয়ে মৃত্যু ২ BSF এর

পরীক্ষা দিতে আসার আগে সাপের ছোবল খেয়েছিলে। তাও যেকোনো সাপ নয়। বিষধর চন্দ্রবোড়া । পরীক্ষা কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে যখন ছাত্রটির পরীক্ষা দিচ্ছে তখন তার হাত-পা নীল হয়ে আসছে অসহ্য যন্ত্রণা গোটা শরীরে। শিক্ষকদের প্রশ্নের উত্তরে সেই ছাত্র জানিয়েছিল সাপে কেটেছে। প্রথমে বিশ্বাস করনি কোন শিক্ষকই। কিন্তু যখন বুঝতে পারলেন তখন স্তাম্ভিত সকলেই।

সাপের কামড় খেয়েও মাধ্যমিক পরীক্ষা দিতে এসেছিল ছাত্র। এর পরেই তাকে চন্দ্রকোনা গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার চিকিৎসা চলে। তারপর ছাত্র গৌতম বর্ণনা দেয় ঠিক কী ঘটেছিল রবিবার রাতে। ঘরে বসেই পড়ছিল গৌতম সেই সময় চৌকির নিচে একটি বিষধর সাপ থাকে কামড় দেয় তাকে। প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় কিন্তু পরীক্ষা দেওয়ার জন্য জেদ ধরে গৌতম।

এই অবস্থায় সকালে চলে আসে সে পরীক্ষা কেন্দ্রে। পরীক্ষা শুরু হতেই লিখতে শুরু করে গৌতম। তারপর ধীরে ধীরে অসুস্থ হয়ে পরে সে। এই ঘতনায় চন্দ্রকোণা গ্রামীণ হাসপাতালে বিএমওএইচ স্বপননীল মিস্ত্রি বলেন, “বিষধর কোনও সাপই কামড়েছে ওকে। সেটা কোন সাপ স্পষ্ট নয়। চন্দ্রবোড়া সাপ হয়ে থাকতে পারে।”

বিষধর সাপের কামড় খেয়েও পরীক্ষা কেন্দ্রে ছাত্র, স্তম্ভিত শিক্ষক থেকে চিকিৎসকরা

চন্দ্রকোনা জিরাট হাই স্কুলের পরীক্ষাকেন্দ্রে বসে আর পরীক্ষা দিতে পারেনি গৌতম। কিন্তু পরীক্ষা ও দিয়েছে। হাসপাতালের বেডে বসেই। অদম্য জেদের কাছে হার মেনেছে সব কিছুই। বাহবা দিয়েছেন শিক্ষক-চিকিৎসকরাও।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

আরও পড়ুন