সিঙ্গুর রায় নিয়ে আইনি পথে হাঁটার ভাবনা মমতা সরকারের, কী হতে পারে পরবর্তী পদক্ষেপ?

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরো: টাটা ন্যানো মামলায় রাজ্য সরকারকে ৭৫৬.৭৮ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেবার নির্দেশ দিয়েছে সালিশি আদালত। সূত্রের খবর, আদালতের এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে পাল্টা আইনি পথে হাঁটার কথা চিন্তা করছে রাজ্য সরকার। সেক্ষেত্রে হাইকোর্ট নাকি সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হবে রাজ্য তা নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না নেওয়া হলেও আলোচনা চলছে বলেই জানা গিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ খাট নেই, মাটিতেই শুতে হল! ED হেফাজতে প্রথম রাত কেমন কাটল বালুর?

প্রসঙ্গত, সিঙ্গুরে এক হাজার একর জমিতে ন্যানো প্লাট তৈরির জন্য বাম আমলেই বাম সরকারের সঙ্গে চুক্তি হয়েছিল টাটা মোটরসের। প্রতিশ্রুতি ছিল হাজার হাজার কর্মসংস্থানের। হয়তো টাটার পথ অনুসরণ করে আন্তর্জাতিক মানের আরও অনেক এরাজ্যে শিল্প আসত। কিন্তু তৎকালীন বিরোধী দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চরম বিরোধিতা, স্থানীয় কৃষকদের জমি বাঁচানোর আন্দোলনে স্তব্ধ হয়ে যায় সিঙ্গুরে ন্যানো কারখানা তৈরির স্বপ্ন। তড়িঘড়ি পাততাড়ি গুটিয়ে, কোটি কোটি টাকার ক্ষতি মাথায় নিয়ে গুজরাটে সরে যেতে বাধ্য হয় টাটা।

সিঙ্গুর রায় নিয়ে আইনি পথে হাঁটার ভাবনা মমতা সরকারের, কী হতে পারে পরবর্তী পদক্ষেপ?

সালিশি আদালতের নির্দেশের পর টাটা গোষ্ঠী একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, “২০২৩ সালের ৩০শে অক্টোবর তিন সদস্যের সালিশি আদালতে সিঙ্গুরে অটোমোবাইল কারখানা মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে। সর্বসম্মত ভাবে ট্রাইব্যুনাল, টাটা মোটরসকে ৭৬৫.৭৮ কোটি টাকা দিতে বলেছে। সেই সঙ্গে, ২০১৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে পুরো ক্ষতিপূরণ পুনরুদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত ১১ শতাংশ হারে সুদ দিতে বলা হয়েছে।”

সিঙ্গুর রায় নিয়ে আইনি পথে হাঁটার ভাবনা মমতা সরকারের, কী হতে পারে পরবর্তী পদক্ষেপ?

সিঙ্গুর রায় নিয়ে আইনি পথে হাঁটার ভাবনা মমতা সরকারের, কী হতে পারে পরবর্তী পদক্ষেপ?

এখন সূত্রের খবর, সালিশি আদালতের রায়কে চ্যালঞ্জ করে হাইকোর্ট বা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হতে পারে রাজ্য সরকার। পুজোর ছুটির পর সোমবারই খুলেছে নবান্ন। দীর্ঘ ৫০ দিন পর দফতরে উপস্থিত হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সিঙ্গুর মামলার বিষয়টি দেখছেন মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী। ক্ষতিপূরণ দেবার বিষয়ে ইতিমধ্যেই আপত্তি জানানো হয়েছে রাজ্য সরকারের তরফে।

সিঙ্গুর রায় নিয়ে আইনি পথে হাঁটার ভাবনা মমতা সরকারের, কী হতে পারে পরবর্তী পদক্ষেপ?

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত