কেন্দ্রীয় বিজেপির সাহায্য চান না, বিতর্কের মাঝেই স্পষ্ট বার্তা দিলীপ সহ রাজ্য নেতৃত্বের।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ কেন্দ্রীয় বিজেপির সাহায্য চান না, বিতর্কের মাঝেই স্পষ্ট বার্তা দিলীপ সহ রাজ্য নেতৃত্বের। অমিত শাহ থেকে নরেন্দ্র মোদী একের পর এক কেন্দ্রীয় নেতারা রাজ্যে নির্বাচনী প্রচার করে গিয়েছেন। বাদ ছিলেন না নাড্ডা-ইরানির মত নেতারাও। একের পর এক কেন্দ্রীয় নেতা রাজ্যে সভা করে গিয়েছেন আর সদর্পে ঘোষণা করে গিয়েছেন রাজ্যে এবার ২০০ র বেশী আসন পেয়ে ক্ষমতায় আসতে চলেছে বিজেপি। তবে বাস্তবে দেখা গেছে উল্টো ছবি।

আরও পড়ুনঃ রাজ্যে করোনা আক্রান্ত ২০ হাজার ছুঁই ছুঁই, কিছুটা বাড়ল সুস্থতার হার

২০০ আসন দূরে থাক প্রশান্ত কিশোরের কথা মত ট্রিপল ডিজিট পার করতে পারেনি বিজেপি। অনেক আগে ৭৭ আসনেই থেমে যেতে হয়েছে। আর এই হারের পর্যবেক্ষণে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের উপর অতিনির্ভরতাই হারের কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে তেমনই মনে করছে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। হারের বিশ্লেষণের পর রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ স্পষ্টভাবে কেন্দ্রকে জানিয়েছেন “আপনারা ভোটে অনেকে সাহায্য করেছেন। ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আর সাহায্য চাই না। এবার থেকে বাংলায় বিজেপির সমস্ত বিষয় আমাদের এখানকার নেতা-কর্মীরাই পরিচালনা করবে।” বাংলার বিজেপি নেতারা হারের বিশ্লেষণ করে বুঝতে পেরেছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের উপর অতি নির্ভরতাই হারের মুখে ঠেলেছে রাজ্য বিজেপিকে।

কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব সবকিছু পরিচালনা করায় লাভ তো কিছুই হয়নি বরং উল্টে তৃণমূল বারবার বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের এই বাংলায় আসাকে কটাক্ষ করে গেছে। তৃণমূলের তরফে ভোট প্রচারে বলা হয়েছে বিজেপির বহিরাগতদের ভোট দেবেন না। বিজেপি বহিরাগত দিয়ে ভোট জিততে চায়। আর এই বিষয়েই ভোটবাক্সে পিছিয়ে গেছে বঙ্গ বিজেপি। বহিরাগতদের বারবার আগমন বাংলার মানুষ গ্রহন করেনি মানছে রাজ্য বিজেপি। প্রসঙ্গত বাংলায় বিজেপির নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করতে রাজ্যে রয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় নেতা তরুণ চুঘ। কৈলাস বিজয়বর্গীয়, শিবপ্রকাশরা আপাতত রাজ্যে নেই।

কেন্দ্রীয় বিজেপির সাহায্য চান না, বিতর্কের মাঝেই স্পষ্ট বার্তা দিলীপ সহ রাজ্য নেতৃত্বের। বিজেপির কর্মীদের মতে, অতিরিক্ত কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের উপর নির্ভরশীল হতে গিয়েই ভোটে নিজেদের জমি ধরে রাখা সম্ভব হয়নি। তাই বঙ্গ বিজেপির নেতারাই এবার থেকে দল পরিচালনা করতে চান। মানুষের কাছে রাজ্যের নেতাদেরকেই এবার গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠতে হবে। ভোট পরবর্তী হিংসা কাটিয়ে তাই নতুন লড়াইয়ে তৈরি হচ্ছে রাজ্য বিজেপি।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

আরও পড়ুন