কলকাতা হাইকোর্টে শেষ হয়ে গিয়েছে এসএসসি নিয়োগ মামলার শুনানি। দীর্ঘদিন ধরে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে চলা শুনানি শেষে বিচারপতি দেবাংশু বসাক বলেন, ‘এই নিয়োগ প্রক্রিয়া থেকে ভালো কিছু খুঁজে পাওয়া কঠিন।’ প্রায় সাড়ে তিন মাস ধরে শুনানি শেষে রায়দান স্থগিত রাখা হয়েছে। আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন,’ ঘোষিত শুন্যপদের থেকেও বেশী সংখ্যক ব্যাক্তিকে নিয়োগ করা হয়েছে।’

এর প্রত্যুত্তরে বিচারপতি বলেন, ‘অতিরিক্ত নিয়োগ সরাসরি বাতিল হওয়া উচিত।’ এই মন্তব্য থেকে বোঝা যাচ্ছে অতিরিক্ত নিয়োগ বাতিল করার নির্দেশ দিতে পারে আদালত। হাইকোর্টের রায়ের দিকে তাকিয়ে রয়েছে বঞ্চিত, প্রতারিত চাকরিপ্রার্থী। এসএসসি-র গ্ৰুপ সি, গ্ৰুপ ডি, নবম-দশম এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির দুর্নীতি মামলায় গত ২ বছর ধরে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি।

যোগ্য চাকরি প্রার্থীদের বঞ্চিত করে টাকার বিনিময়ে চাকরি দেওয়া হয়েছে অযোগ্যদের। মামলার জল গড়ায় সুপ্রিম কোর্টে। মামলা হাইকোর্টে ফেরত পাঠায় সুপ্রিম কোর্ট। তদন্ত শেষ করতে ৬ মাসের ডেডলাইন বেঁধে দেয় আদালত। বিতর্কিত চাকরি প্রাপকদের আইনজীবী প্রমিত রায় সওয়াল করেন, “এসএসসি এবং CBI, কেউই বিশ্বাসযোগ্য নয়।”

‘শেষ হয়েও হইল না শেষ’, এসএসসি দুর্নীতি মামলায় শুনানি শেষে মুলতুবি রায়দান
তখনই বিচারপতি বসাক প্রশ্ন করেন, “তাহলে কার ওপর আমরা বিশ্বাস করব ?” উত্তরে বিতর্কিত চাকরিপ্রাপকদের আইনজীবী প্রমিত রায় বলেন, “আদালত নিজের স্বতন্ত্র সিদ্ধান্তের ওপর বিশ্বাস রাখুক।” আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বক্তব্য, “এই আদালত তো OMR দেখার সুযোগ দিয়েছিল। কজন এসে বলেছেন যে এই OMR আমার নয়?”



