নজরবন্দি ব্যুরো: এবার বিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ স্তর একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষক নিয়োগেও নম্বর কারচুপির বিষয় প্রকাশ্যে এল। আজ ৯০৭ জনের তালিকা প্রকাশ করে জানাল খোদ স্কুল সার্ভিস কমিশন, সংক্ষেপে SSC। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশেই এই তালিকা প্রকাশ করা হল। এমনকি প্রাপ্ত নম্বর ১ থেকে ৫০ নম্বর পর্যন্ত বেড়েছে বলে জানা গিয়েছে।
আরও পড়ুন: এবার নিয়োগ দুর্নীতিতে জড়াল অভিষেকের নাম, ED-র খাতায় চাঞ্চল্যকর তথ্য!
প্রাথমিক শিক্ষা দুর্নীতি, নবম দশম, গ্রুপ সি, গ্রুপ ডি, আর এবার একাদশ দ্বাদশ! নিজেদের ওয়েবসাইটে নম্বর কারচুপির তালিকা প্রকাশ করল SSC। ফলে আর কোনও জায়গায় দুর্নীতি বাকী থাকল না। আজ ৯০৭ জনের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, প্রত্যেকের নম্বর বাড়ানো হয়েছে। অর্থাৎ, যে নম্বর ওএমআর শিটে রয়েছে তার চেয়ে অনেক বেশি নম্বর সার্ভারে দেওয়া হয়েছে। এমনকি, কারও কারও নম্বর ১ থেকে ৫০ পর্যন্ত বেড়েছে বলে সূত্রের খবর।

এক জনৈক আন্দোলনকারীর বক্তব্য, ‘পরীক্ষা নেবার কী দরকার ছিল। আগেই বলে দিতে পারত, যারা টাকা দিয়েছে তাঁরাই চাকরি পাবে। মেধার সাথে এই প্রতারণা কেন? অনেকেই সাদা খাতা জমা দিয়ে চাকরি পেয়েছে। আমরা নিজেদের যোগ্যতায় মেধা তালিকায় এসেছিলাম। আর এখন হাজার দিন হতে চলল আন্দোলন করছি’।

এর আগে নবম দশমের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটেছিল। আর এবার খোদ SSC নিজেদের দুর্নীতির কথা স্বীকার করে নিল। আন্দোলনকারীদের ক্ষোভ, যারা এই নিয়োগে যুক্ত যারা নিয়োগপত্র দেবে অর্থাৎ স্কুল সার্ভিস কমিশন, তাঁরাই যদি দুর্নীতির কথা স্বীকার করে তাহলে কোথায় যাবেন তাঁরা!
![]()
আরও তাৎপর্যপূর্ণ তথ্য, এই ৯০৭ জনের মধ্যে ৭০০ জনই নিয়োগপত্র পেয়ে এখনও বহাল তবিয়তে চাকরি করছেন। এতদিন বিরোধীরা বারবার অভিযোগ করছিলেন। আদালতও সরগরম হয়েছিল। আর এবার SSC স্বীকার করল নম্বর কারচুপির কথা। ২০১৬ সালে প্রথম এসএলসটি-র পরীক্ষায় এই দুর্নীতি হয়েছে। সেখানে ৫,৭৫৭ জনের নিয়োগ হয়েছিল তাঁদের মধ্যে ৯০৭ জনেরই চাকরি হয়েছে নম্বর বাড়িয়ে।
একাদশ দ্বাদশেও দেদার দুর্নীতি, নম্বর কারচুপির তালিকা প্রকাশ খোদ SSC-র!




