কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে বাতিল হয়েছে ২৫ হাজার ৭৫৩ জনের চাকরি। পাল্টা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় এসএসসি। যদিও হাই কোর্টের রায়কেই বহাল রেখেছে শীর্ষ আদালত। তবে, চাকরি বাতিলের পরেই শুরু হয়েছে যোগ্য-অযোগ্য বিতর্ক। অনেকেরই দাবি, তাঁরা নিজের যোগ্যতায় চাকরি পেয়েছিলেন। কিন্তু, যেহেতু ২০১৬ সালের সম্পূর্ণ প্যানেলটাই বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে আদালত। তাই মুড়ি-মিছড়ি আলাদা করা প্রায় অসম্ভব।
আরও পড়ুন: ভোট প্রচারে গিয়ে দেবের চপারে আগুন! অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন তৃণমূলের নায়ক প্রার্থী
রায় ঘোষণার দিন ঠিক এই মতেই সায় দেন এসএসসি চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার। তিনিও বলেন, যোগ্যরা চাকরি হারাচ্ছেন কিন্তু আর বাছাই করা সম্ভব নয়। এদিকে শুক্রবার নির্বাচনের প্রচারে এসে চাকরিহারাদের আশ্বস্ত করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি একটি লিগ্যাল সেল ও মিডিয়া সেল খোলার নির্দেশ দিয়েছেন এবং যোগ্যদের চাকরি ফিরিয়ে দিতে সাহায্য করবে বিজেপি সরকার তা-ও বলেছেন।

আর প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসের মাত্র চার ঘন্টা পরেই একেবারে উল্টোসুর শোনা গেল সিদ্ধার্থ মজুমদারের গলায়। আজ তিনি বললেন, ‘যোগ্য-অযোগ্য বাছাই করা সম্ভব।” সিবিআই তদন্তের রিপোর্টে জানিয়েছিল, যেহেতু সমস্ত ওএমআর শিট নষ্ট করা হয়েছে এবং ওএমআর-এর কোনও প্রতিলিপিও রাখেনি এসএসসি, তাই যোগ্য অযোগ্য বাছাই করা সম্ভব নয়।

যোগ্য-অযোগ্যদের চিহ্নিত করা সম্ভব, মোদির আশ্বাসের পরেই উল্টোসুর SSC চেয়ারম্যানের
সুপ্রিম কোর্টে যেদিন এই মামলার শুনানি ছিল, সেদিন অবশ্য রাজ্যের আইনজীবী বলেন, এসএসসি-এর কাছে আরও কিছু কাগজপত্র রয়েছে যেগুলো থেকে যোগ্য-অযোগ্য বাছাই করা সম্ভব। আজ আবার চাকরিহারারা করুণাময়ীতে অবস্থান বিক্ষোভে নামেন। তাঁদের বক্তব্য, তাঁরা যোগ্য। তাই চাকরি ফিরিয়ে দিতে হবে। অর্থাৎ, এই নিয়োগ দুর্নীতি মামলা নিয়ে ফের একবার উত্তাল রাজ্য-রাজনীতি।




