নজরবন্দি ব্যুরো: নির্বাচনের আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিছু বিধানসভা কেন্দ্র কে নিজের বোন বলেছিলেন, এই নির্বাচনে বিরোধী দলের ভোট ব্যাংককে একেবারে নিজেদের ভাইয়ের জায়গায় বসালেন বিজেপির দুই প্রার্থী। ২১এর নির্বাচনে বিজেপির পক্ষ থেকে বেহালা পূর্ব এবং পশ্চিমের প্রার্থী অভিনেত্রী শ্রাবন্তী এবং পায়েল। হঠাৎ করে অভিনেতা অভিনেত্রীদের প্রার্থী করায় পক্ষে বিপক্ষে একাধিক যুক্তি উঠে এসেছে ভোট ময়দানে।
আরও পড়ুনঃ সম্ভাব্যতার রাজনীতিতে দিদির হাত ধরতেই পারে কংগ্রেস! জল্পনা জিইয়ে রাখলেন অধীর।


সেসবের মধ্যেই CPM এর ভোট ব্যাংককে নিজেদের দলে ডাকতে চাইলেন বিজেপির দুই প্রার্থী। ওয়াকিবহাল মহলের মতে দক্ষিণ কলকাতার বাহালার দুই কেন্দ্রে তৃণমূল এগিয়ে বেশ অনেকটা। এই তৃণমূলের গড়েই রত্না এবং পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিজেপি দাঁড় করিয়েছে দুই প্রতিষ্ঠিত অভিনেত্রীদের। সেখানে নিজেদের জয় সুনিশ্চিত করতেই গেরুয়া শিবির কাছে টানতে চাইছে বামেদের ভোট। গত লোকসভা নির্বাচনের নিরিখে বেলাহা পূর্ব এবং পশ্চিমের বামেদের প্রার্থীরা ভোট পেয়েছিলেন ৩২ হাজার ৭৯২ এবং ৩৯ হাজার ৮৬৩।
সেই ভোট যদি বিজেপির ঝুলিতে যায় তাহলে একধাপে অনেকটা এগিয়ে যাব বিজেপি বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। আর তাঁদের মতে শ্রাবন্তী এবং পায়েল নজর দিচ্ছেন সেদিকেই। বেহালা পূর্বে এবারের তৃণমূলের প্রার্থী শোভন চট্টোপাধ্যায়ের স্ত্রী রত্না চট্টোপাধ্যায়, তাঁর টক্কর পায়েলের সঙ্গে, অন্যদিকে ধারাবাহিক ভাবে জিতে আসা শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে লড়াই শ্রাবন্তীর। যেখানে তৃণমূলের দুই প্রার্থীর জয় নিয়ে আশাবাদী প্রার্থী সহ দলীয় কর্মীরা সেখানে বিজেপির এই দুই প্রার্থী রাজনীতিতে একেবারে নতুন মুখ।
রত্না দেবী ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন তাঁর কেন্দ্রের প্রার্থী নামেই হেভিওয়েট, তবে এলাকাবাসী এলাকায় খুঁজে পান না প্রার্থীকে। অপরদিকে হল ফেরাতে নতুন উদ্যমে লাল ফিরুক স্লোগান এবং পোস্টার পড়েছে দুই বেহালাতেও, সূত্রের খবর ওই দুই কেন্দ্রে তৃণমূল এবং বামেদের কাছে প্রচার থেকে দেওয়াল লিখন সবেতেই কোথাও গিয়ে ফিকে হয়ে যাচ্ছেন পর্দার হেভিওয়েট অভিনেত্রীরা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন সেই কারণেই লাভ ক্ষতির অঙ্ক কষতে বসে গেরুয়া শিবির বামে লাভ দেখছেন অনেকটা।









