নজরবন্দি ব্যুরোঃ প্রেমিকা ওরফে বান্ধবী বৈশাখীর সিঁথিতে সিঁদুর দিয়ে বিপাকে শোভন চট্টোপাধ্যায়। গতকালের ঘটনায় নজিরবিহীন পদক্ষেপের পথে হাঁটতে চলেছেন বেহালা পূর্বের বিধায়িকা এবং প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়ের স্ত্রী রত্না চট্টোপাধ্যায়। গতকাল বিজয়া দশমীতে দুর্গা প্রতিমার সামনে বৈশাখীর সিঁথিতে সিঁদুর পরিয়ে দেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। ছবি ভাইরাল হতেই সরগরম হয়ে ওঠে নেটপাড়া। কটাক্ষের বন্যা বয়ে যায়। নেটিজেনরা কার্তিক ফেলতে চান শোভনের বাড়ির সামনে!
আরও পড়ুনঃ শোভন বৈশাখীর প্রেম হার মানাচ্ছে লায়লা মজনুকে! দেখুন সব খবর


সোশ্যাল মিডিয়ায় দাবানলের মত ছড়িয়ে পড়ে শোভন বৈশাখীর ছবি। শোভন চট্টোপাধ্যায়ের পরনে ছিল নীল পাঞ্জাবি, বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরনে ছিল শোভনের সাথে ম্যাচিং করা নীল শাড়ি। ফুলের মালা দিয়ে খোঁপা বেঁধেছিলেন তিনি। সাবেকিয়ানার ছাপ ছিল দুজনের সাজগোজেই। একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের বিজয়ার অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে বহুদিনের সুপ্ত ইচ্ছা বাস্তবায়িত হয় তাঁদের দুজনের।
ক্যামেরার সামনেই ভালবাসা উজাড় করে দিয়ে বৈশাখীর সিঁথিতে মনোজিতের দেওয়া সিঁদুরের ওপর নিজের দেওয়া সিঁদুর চাপিয়ে দেন শোভন। আনন্দে চোখে জল এসে যায় বৈশাখীর। বিজয়ার অনুষ্ঠান শেষে বৈশাখী বলেন, “আমাদের সম্পর্কে কোনওকালেই স্বীকৃতির অভাব ছিল না। সততার অভাব নেই। আমরা দুজনে দুটি প্রাণহীন সম্পর্কে শেষ করে যেখানে আনন্দ ও শান্তি সেই আশ্রয় খুঁজে নিয়েছি।”
এদিকে বিজয়া দশমীর দিনেই রনহুঙ্কার দিয়েছেন রত্না চট্টোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন ‘ওঁরা যা পারছে করছে। কিন্তু, ভুলে যাচ্ছে দেশে এখনও আইন রয়েছে। শোভন আইনত এখনও আমার স্বামী। দুর্গা প্রতিমার পেছনে একটা বাঁশ থাকে । আমি সেই বাঁশ। ওঁরা বিয়ের কথা ভাবুক, তারপর আমি দেখছি, আইনত সব পদক্ষেপ নেব।’


নেটিজেনরা কার্তিক ফেলতে চান শোভনের বাড়ির সামনে, ‘বাঁশ’ হয়ে উঠতে চান রত্না!

উল্লেখ্য, রত্না চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে এখনও ডিভোর্স হয়নি, তবুও প্রেমিকার সিঁথিতে সিঁদুর পরিয়ে দিয়েছেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। এই ছবি ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়াও গর্জে ওঠে। অনেকে মন্তব্য করেন, রত্না কে আইনি ডিভোর্স না করে বৈশাখী-কে সিঁদুর দান করায় শোভন আইনি জটিলতায় পড়বেন হিন্দু বিবাহ আইন অনুযায়ী। এখন দেখার শোভন বৈশাখী উপাখ্যান কতদূর এগোয়। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই শোভন বৈশাখীর বাড়ির সামনে কার্তিক ঠাকুর ফেলার আগ্রহও দেখাচ্ছেন।







