শোভনের চিন্তায় ৭ দিন ঘুমাননি বৈশাখী, ‘পরকীয়া’য় অসুবিধা নেই স্বামী মনোজিতের।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ শোভনের চিন্তায় ৭ দিন ঘুমাননি বৈশাখী! নারদ কাণ্ডে শোভন গ্রেফতার হওয়ার পর নিজাম প্যালেশে ছোটেন স্ত্রী রত্না। সোশ্যাল মিডিয়ায় মিম ছড়িয়ে যায় চরম বিপদে বৌ পাশে থাকে বান্ধবী নয়। কিন্তু রাত হতেই আসরে ফেরেন বৈশাখী। জেলের দরজার সামনে কান্নায় ভেঙ্গে পড়া থেকে হাসপাতালে শোভনের পাশে সবসময় দেখা যায় বৈশাখীকে। শনিবার ব্যক্তিগত রিস্ক বন্ডে সই করে এসএসকেএম হাসপাতাল থেকে প্রেসিডেন্সি জেল হয়ে গোলপার্কের বাড়িতে যান শোভন। পরে ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্রদের মতই শর্তসাপেক্ষে অন্তবর্তী জামিন পেয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ কেন্দ্র ফিরিয়ে নিক আলাপনের দিল্লি ডাক, বাংলার স্বার্থে মোদির পায়ে ধরতেও রাজি মমতা

এদিকে শোভন জামিন পেতেই আহ্লাদে আটখানা বৈশাখী। হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চের রায় শোনার পরই বৈশাখী বলেন, “এই মুহূর্তটা ঈশ্বরকে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনের। সোমবার থেকে আজকের দিনটা পর্যন্ত ট্রমায় ছিলাম। নজরবন্দি অবস্থা থেকে মুক্তি পেলেন চারজন। সকলকেই শুভেচ্ছা।” এরপর বৈশাখীর সংযোজন, “‘২০১৬ সালে শোভন বাবু আমাকে বলেছিলেন, বিপদে পড়লে আমি যেন তাঁকে দেখি। আমি সেটাই করব। গত সাতদিন ঘুমোইনি। এখন আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলব। তাঁরা যা বলবেন, সেই মতো ব্যবস্থা নেব।”

শোভনের চিন্তায় ৭ দিন ঘুমাননি বৈশাখী! এর আগে গোলপার্কের আবাসনে ফেরার পর বৈশাখী জানান, ‘‘বাড়ির পরিবেশ ওঁকে অনেকটা শান্তি দিয়েছে। তিনি টিভি দেখছেন, খাচ্ছেন, খবর দেখছেন। অক্সিজেন, নেবুলাইজার কোনও কিছুরই দরকার পড়েনি। তবে এখনও বুকে অল্প ব্যথা আছে। হাসপাতাল থেকে ১৪ দিনের যে ওষুধ খেতে বলা হয়েছিল সেটা চলছে।”

অন্যদিকে মৌনব্রত ভেঙে মুখ খুলে বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বামী মনোজিত মন্ডল বলেছেন, “বৈশাখী বন্দোপাধ্যায় বা কেও একটা ২২ বছরের সম্পর্ক ভেঙে দেবেন কি করে। তিনি আরও বলেন, সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার আসল কারণ আমরা সবাই জানি কোর্টও জানে। তাই বৈশাখী কখনই শোভন রত্না দেবীর ডিভোর্সের কারণ হতে পারে না। পরকীয়া তো এখন লিগ্যাল হয়ে গেছে। এটা কোনো অসুবিধার নয়। করতেই পারে যে কেউ পরকীয়া।”

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত