এ বারের টি-২০ বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম দাবিদার দক্ষিণ আফ্রিকা। যে ভাবে প্রোটিয়ারা টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠেছে, তাতে এ কথা না বলে আর উপায় নেই। টানা ৭ ম্যাচ জিতে চলতি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠেছিল এইডেন মার্কব়্যামের দক্ষিণ আফ্রিকা। এরপর শেষ চারে আফগানিস্তানকে হারিয়ে দিল প্রোটিয়ারা। এই প্রথম বার টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠল দক্ষিণ আফ্রিকা।
আরও পড়ুনঃ চন্দ্রযান ৪-এর পথে ইসরো, এই বছর ফের চাঁদে ভারত, তুলে আনা হবে চাঁদের মাটি



এইডেন মারক্রামের নেতৃত্বে প্রথমবার কোনও বিশ্বকাপের ফাইনালে প্রোটিয়ারা। সেমিফাইনালে আফগানদের কার্যত গুঁড়িয়ে দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। আর শুধু সেমিফাইনাল নয়, চলতি বিশ্বকাপে এখনও হারের মুখ দেখতে হয়নি দক্ষিণ আফ্রিকাকে। টস জিতে বল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন রশিদ। অনেকে মনে করছেন, সেটাই বোধ হয় ভুল হল।
দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটারেরা স্পিনারদের বিরুদ্ধে খুব স্বচ্ছন্দ নন। আফগানিস্তান প্রথমে বল করে অল্প রানে প্রোটিয়াদের আটকে দিলে, নিজেদের সামনে একটা রানের লক্ষ্য নিয়ে খেলতে নামতে পারত। কিন্তু আফগানিস্তানের ব্যাটিং বিপর্যয় যে এ ভাবে হবে, তা ভাবা যায়নি। কোনও ব্যাটার ক্রিজে থিতু হতে পারলেন না। ত্রিনিদাদের পিচে সুইং ছিল। সেটাই কাজে লাগালেন দক্ষিণ আফ্রিকার পেসারেরা।
আফগানদের ৫৬ রানে অলআউট করে বিশ্বকাপের ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকা



তাঁদের সেই সুইংয়ের দাপট সামলাতে পারলেন না রহমানুল্লা গুরবাজেরা।দঃ আফ্রিকার মার্কো জানসেন, কাজিসো রাবাদা, অনরিখ নরকিয়াদের সামনে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ল আফগানদের ব্যাটিং লাইন আপ। পাওয়ার প্লের মধ্যেই হারাল ৫ উইকেট। এরপর মাত্র ১১.৫ ওভার ব্যাটিং করে ৫৬ রানেই অল আউট হয়ে যায় আফগানরা। দলের হয়ে একমাত্র ক্রিকেটার হিসেবে আজমাতুল্লাহ ওমারদাই দুই অঙ্কের রান করেন, তাও মাত্র দশ। রহমানউল্লাহ গুরবাজ ছাড়াও মহম্মদ নবিও করেন ০।







