সুকান্তর খবর নিতে হাসপাতালে সৌরভ, সন্দেশখালিকাণ্ডের প্রতিবাদে চোট পেয়েছেন রাজ্য গেরুয়া চিফ
Sukanta Majumdar: গত বুধবার সন্দেশখালি কান্ডের প্রতিবাদ করতে গিয়ে চোট পেয়েছিলেন পেয়েছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। এই মুহূর্তে শহরের এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন তিনি।
মহাগুরুর পর মহারাজ! সকালে রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে (Sukanta Majumdar) দেখতে হাসপাতালে গিয়েছিলেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। আর বিকেলে দেখা গেল প্রাক্তন ভারতীয় দলের অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে (Sourav Ganguly)। গত বুধবার সন্দেশখালিকাণ্ডের (Sandeshkhali Issue) প্রতিবাদ করতে গিয়ে চোট পেয়েছিলেন পেয়েছেন বালুরঘাটের সাংসদ। এই মুহূর্তে শহরের এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন তিনি।
বিগত এক সপ্তাহ ধরে উত্তপ্ত সন্দেশখালি। তিন তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখ, উত্তম সর্দার ও শিবু হাজরার বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত গ্রামবাসীরা। মাঝে দ্বীপাঞ্চলে জারি করা হয় ১৪৪ ধারাও। দিন দুয়েক আগেই সন্দেশখালিকাণ্ডের (Sandeshkhali Issue) প্রতিবাদ জানাতে সেখানে যান সুকান্ত মজুমদার। তাঁকে বাধা দেয় পুলিশ। বসিরহাট থানার সামনে গাড়ির বনেটে উঠে স্লোগান তোলেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)। এরপর পুলিশের সঙ্গে ধ্বস্তাধস্তি শুরু হলে গাড়ির বনেট থেকে পড়ে গিয়ে চোট পান তিনি।
সুকান্তর খবর নিতে হাসপাতালে সৌরভ, সন্দেশখালিকাণ্ডের প্রতিবাদে চোট পেয়েছেন রাজ্য গেরুয়া চিফ
সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) সঙ্গে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Sourav Ganguly) ব্যক্তিগত সম্পর্ক ভালো। সেই কারণেই তিনি হাসপাতালে গিয়েছেন। দু’জনের মধ্যে কথাও হয় বেশ কিছুক্ষণ। সুকান্তের শারীরিক অবস্থার বিষয়ে খোঁজ নেন সৌরভ। গত বিধানসভা ভোটের আগে মহারাজের বাড়িতে নৈশভোজে এসেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেখানে উপস্থিত ছিলেন সুকান্ত মজুমদার। ছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও।
সুকান্তর খবর নিতে হাসপাতালে সৌরভ, সন্দেশখালিকাণ্ডের প্রতিবাদে চোট পেয়েছেন রাজ্য গেরুয়া চিফ
হাসপাতাল সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার সুকান্ত মজুমদারকে (Sukanta Majumdar) আইসিইউ থেকে কেবিনে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। এর আগে বুধবার রাতে এমআরআই করা হয়েছিল। তার আগে সিটি স্ক্যানও হয়েছিল তাঁর। মূলত কোমরে সমস্যা ধরা পড়েছে বলে জানা যাচ্ছে। তবে, কবে তাঁকে ছাড়া হবে তা এখনও জানা যায়নি।
সকালে সুকান্ত মজুমদারকে (Sukanta Majumdar) দেখে বেরিয়ে রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে তীব্র সমালোচনা করেন মিঠুন চক্রবর্তী। তিনি বলেন, “বাংলার মুখ্যমন্ত্রী একজন মহিলা। সেখানে রাজ্যের মহিলাদের অবস্থা এরকম হবে কেন? এটাই তো সময় বাংলার মানুষদের জেগে ওঠার। আর কতদিন এরকম চলবে? এর চেয়ে ঘৃণ্য কাজ আর হয় না। রাজনীতি সবাই করি। কিন্তু এটা রাজনীতির উর্ধ্বে।”