নজরবন্দি ব্যুরোঃ দীপাবলির আবহে নিভল দীপ! তিন ভুবনের পারে পাড়ি দিলেন অপু। আলর উৎসবের মাঝেই এল চরম দুঃসংবাদ, প্রয়াত হলেন প্রবাদ প্রতিম অভিনেতা সৌমিত্র চট্টপাধ্যায়। আজ দুপুর ১২ টা ১৫ নাগাত বেলভিউ হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন সৌমিত্র বাবু। মৃত্যুকালে তাঁর বয়েস হয়েছিল ৮৫ বছর। ইতিমধ্যেই বেলভিউ হাসপাতালে উপস্থিত হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
আরও পড়ুনঃ প্রতিনিয়ত যুদ্ধ বিরোধী চুক্তি লংঘন, পাক কুটনৈতিককে কড়া জবাব দিল ভারত।
গতকাল থেকেই তাঁর শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি হয় সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের। বেলভিউ হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন ১০০ শতাংশ ভেন্টিলেশন সাপোর্টে রাখা হয়েছিল তাঁকে! চিকিৎসায় কোন সাড়া দিচ্ছিলেন না তিনি। বাবার শারীরিক অবস্থার অবনতির খবর পেয়ে গতকাল সন্ধ্যেবেলা হাসপাতালে চলে আসেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের কন্যা পৌলমী। হাসপাতালে এসে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।
দীপাবলির আবহে নিভল দীপ! তিন ভুবনের পারে পাড়ি দিলেন অপু। শনিবার সকাল থেকেই বর্ষীয়ান অভিনেতার শরীর চিকিৎসায় আর সাড়া দিচ্ছিল না। দ্রুত কমতে থাকে রক্তচাপ। ‘ডিফরেন্ট লাইফ সাপোর্টে’ রাখা হয় তাঁকে। হাসপাতাল সূত্রে খবর পরিস্থিতি হাতের বাইরে বেরিয়ে যায় গতকাল দুপুরেই। চিকিৎসক রা জানিয়ে দেন, আর কিছু করার নেই। খ্যাতনামা অভিনেতা কে বাঁচাতে পারে শুধু মিরাকল!
করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসার পর থেকে বর্ষীয়ান অভিনেতা এক মাসের বেশি সময় ধরে বেলভিউ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। আজ তাঁর শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি ঘটে। তাঁর মস্তিস্কের স্নায়বিক সমস্যা হাতের বাইরে চলে যায়। শেষের শুরু হওয়ার সাথে সাথেই তাঁর শরীরে কমতে থাকে অক্সিজেনের মাত্রা। অক্সিজেনের অভাব মেটাতে বাড়ানো হয় অক্সিজেন। গতকাল রাত থেকে শুধুমাত্র কৃত্তিম উপায়ে জীবিত রাখা হয় সৌমিত্র বাবুকে। তাঁকে ১০০ শতাংশ ফেডারেশন সাপোর্ট দেওয়া হয় তাঁকে। কিন্তু কোন কিছুতেই কিছু হল না।
গতকাল থেকে কিডনি একেবারেই কাজ করছিল না। নিউরোলজি, নেফ্রোলজি থেকে কার্ডিয়াক, অ্যান্টি-ভাইরাল সমস্ত বিভাগের বিশেষজ্ঞরা চেষ্টা চালিয়ে যান প্রানপন। পরে জানা যায়, আর কোনও চিকিৎসাতেই সাড়া দিচ্ছেন না সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। চিকিৎসকরা জানান, এই অবস্থা থেকে একমাত্র অলৌকিক কিছু ঘটলেই তাঁকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব।



