শুক্রবার আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের এক চিকিৎসক ছাত্রীকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়। তারপর থেকেই রাজ্যজুরে বিক্ষোভের ঝড় জুনিওর চিকিৎসক মহলের। শুধু তাই নয় শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজাও। আর এই আবহে গতকাল থেকেই তদন্তে নামে কলকাতা পুলিশ। গঠন করা হয় ১১ জনের একটি স্পেশাল টিম। ইতিমধ্যেই ঘটনায় একজন কে গ্রেফতার করা হয়েছে। জানা গেছে ওই অভিযুক্ত রাজ্যের সিভিক ভলেন্টিয়ার। যার নাম সঞ্জয় রায়। যদিও সঞ্জয়ের মায়ের দাবি এই নৃশংস কাণ্ড তাঁর ছেলে ঘটাতে পারে না।
এদিন সঞ্জয় ওরফে ওই নিরাপত্তারক্ষীকে গ্রেফতারের পরেও বিক্ষোভ থামেনি জুনিওর ডাক্তারদের। তাঁদের দাবি এই আগামী দিনে তাঁদের নিরাপত্তা বাড়াতে হবে। একইসাথে ওই নৃশংস খুনের ঘটনায় আরও অনেক জড়িয়ে থাকতে পারে সেক্ষেত্রে দ্রুত তাঁদের গ্রেফতার করতে হবে। যদিও গতকালি তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তবে এবিষয়ে ওই ধৃতের মায়ের দাবি, তাঁর ছেলে কিছুতেই এই ঘটনা ঘটাতে পারেনা। তাঁর মায়ের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, একাধিক বিয়ে করেছেন ওই সঞ্জয়। তবে এক স্ত্রী মারা গেছেন ক্যানসার আক্রান্ত হয়ে।
মায়ের সাথে খুব একটা দেখা করতেন না সঞ্জয়। তবে মাঝে মাঝে কোন জরুরি কাজে বাড়িতে আসতেন তিনি। কলকাতা আর্মড পুলিশের ফোর্থ ব্যাটালিয়নে চাকরি করত অভিযুক্ত তেমনটাই সে বলে বেড়াতেন। যদিও পরে যানতে পারে আদতে সে সিভিক ভলেন্টিয়ার। এছাড়াও স্থানীয় সূত্রে খবর প্রথম থেকেই খুব বদ মেজাজি ছিলেন সঞ্জয়।
জানা গেছে সঞ্জয়ের দুই বোন রয়েছে এবং দুজনেই পুলিশে কর্মরত। তবে অনেক ছোট বেলায় এক বোনকে হারিয়েছিল সঞ্জয়। পাড়া প্রতিবেশীর সঙ্গেও খুব একটা ভালো সম্পর্ক নেই সঞ্জয়ের। তবে সঞ্জয় কে গতকাল গ্রেফতারের পর টিভিতে দেখে তাঁর মা। যদিও প্রথমে বিশ্বাস করতে পারছিলেন না। তবে কীভাবে সঞ্জয়কে গ্রেফতার করল পুলিশ?
এ বিষয়ে যদিও পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল জানিয়েছেন, ”প্রসঙ্গত উল্লেখ করা যেতে পারে এই সঞ্জয় রায়ের ব্লুটুথ হেডফোনের এর ছেঁড়া অংশের সূত্র ধরে তাকে পুলিশ শুক্রবার রাতে প্রথমে টালা থানায় নিয়ে গিয়ে দীর্ঘক্ষণ জেরা। এরপর ভোররাতে অসংলগ্ন কথাবার্তা দরুন গ্রেফতার করা হয়। ধৃত অপরাধী যাতে সর্বোচ্চ শাস্তি পায় তা দেখবে কলকাতা পুলিশ।”



